
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী ওবায়দুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রোববার (৮ মার্চ) বিকেলে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ওবায়দুল ইসলাম রায়গঞ্জ উপজেলার আন্দ্রা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে রায়গঞ্জ উপজেলার পূর্বপাইকড়া গ্রামের আবু সাঈদ শেখের মেয়ে শারিমন খাতুনের (২১) সঙ্গে ওবায়দুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন ওবায়দুল।
২০০০ সালের ২৪ জুলাই শারিমন খাতুনকে হত্যা করে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে ঘরের ভেতর ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবু সাঈদ শেখ বাদী হয়ে ওবায়দুল ইসলামসহ তার পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে পুলিশ তদন্ত শেষে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত প্রধান আসামি ওবায়দুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানার দণ্ড দেন।
তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওবায়দুল ইসলামের ভাই ফরিদুল ইসলাম, মা মোমেনা বেগম এবং বোন আছমা খাতুনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শামসুজ্জোহা শাহান শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 



















