ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

টঙ্গীতে মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৩৫ জন আটক

পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৩৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

টঙ্গীর হাজি মাজার বস্তিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন জামালপুর, মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নওগাঁ, ঝালকাঠি ও শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার যুবকরা। এদের মধ্যে চারজন নিয়মিত মামলার আসামি। বাকিদের মধ্যে ৩১ জনকে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পুলিশ জানিয়েছে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান জানান, “অপরাধপ্রবণ এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে মোট ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, বিক্রি এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। এসময় কিছু মাদকসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

আটকরা হলেন জামালপুর সদরের নরনদী ক্ষীণপাড়া গ্রামের জয়দর আলীর ছেলে সাগর আলী (২১), মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার মাওনা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মাজেদুল ইসলাম মাহি (২২), জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার রামরামপুর গ্রামের শামসুল হকের ছেলে সাজু হাসান (৩১), পিরোজপুর সদরের বাদুরা গ্রামের মৃত রফিক নেয়ার ছেলে মো. জয় (১৯), ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার কালিবাজার গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে ফাহিম সিফাত (১৮), টঙ্গী পূর্ব থানার আরিচপুর এলাকার বাসেত ফকিরের ছেলে ইমন (২৩), কুমিল্লা মুরাদনগরের টনকি গ্রামের আজাহার হোসেনের ছেলে ইমন হাছান বাদল (২১), ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগরের ইউনুস মিয়ার ছেলে রাহাত (২৩), মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগর থানার কামারগাও গ্রামের আলী আকবর ভুঁইয়ার ছেলে মুরাদ হোসেন (৩৪), নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জের আমলাবো গ্রামের মতিনের ছেলে আল আমীন (৩০), জামালপুর বকশীগঞ্জের রামরামপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে আলী হোসেন (২৮)।

আটকদের মধ্যে রয়েছেন- নরসিংদী রায়পুরা থানার মানিকনগর গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩০), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের বুধপাড়া গ্রামের জামালের ছেলে মানিক (২৩),  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের চরবাগ ভাঙ্গা গ্রামের আশরাফুলের ছেলে মাহবুব (৪০), পশ্চিম থানার হাজির মাজার এলাকার জাহিদুলের ছেলে সালমান (১৯), ময়মনসিংহ ত্রিশাল থানার ভাওয়ালী পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে শাকিল মিয়া (২৩),  মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগরের পাড়াগাঁও গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে আজিম (২৫), নরসিংদী রায়পুরার মধ্যনগরের নুরুজ্জামান (২৬), কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জের ঝাঁটিয়া পাড়া গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে নাজমুল (৩০), মিরসরাই সদরের আবুল হাশেমের ছেলে জিহা (২১), নারায়ণগঞ্জ করিমগঞ্জের টামনি এলাকার নাজির উদ্দিনের ছেলে ছানোয়ার হোসেন (৩৪), নরসিংদী পলাশ থানার করতেতুল গ্রামের মৃত হাকিমের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩২), টাঙ্গাইল মধুপুর থানার অরুণখোলা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে আতিক হাসান (২৮), ঢাকা চকবাজারের মৃত কবির হোসেনের ছেলে নাজিম হোসেন (২৭), একই এলাকার মৃত জসীমউদ্দীনের ছেলে জামিল হোসেন (১৯), নওগাঁ বদলগাছি থানার হরজতপুর গ্রামের মৃত মোতাহার ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৫), ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট থানার উতিগুরা গ্রামের আলী আহমেদের ছেলে মোস্তাক হোসেন (৩১), ঝালকাঠি নলসিটি থানার শেরেবাংলা এলাকার মোকসে হাওলাদার ছেলে রমজান আলী (২৯), নরসিংদী রায়পুরা থানার কাটাকালি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান (২৫)।

টাংগাইল মধুপুর থানার আঙ্গিনা পাড়া গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে রবিন মিয়া (২৭), জামালপুর সরিষাবাড়ী থানার বাউশী বাজার গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে শফিকুর রহমান (৩০),  ময়মনসিংহ সদরের চক সামানমপুর গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক (২৫), শরীয়তপুর নড়িয়া থানার মাইজ পাড়া গ্রামের জাঙ্গীর আলমের ছেলে তুহিন (২৫), কুমিল্লা দেবিদ্বার থানার বলদপুর গ্রামের রহিম খানের ছেলে রাকিব (২৫), ও ও শরীয়তপুর গোসাইরহাট থানার চর দি প্রোগ্রামের আনোয়ারের ছেলে রবি (২৩) সহ ৩৫ জন। এদের মধ্যে চারজন নিয়মিত মামলার আসামি। ৩১ জন মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত।

পুলিশ বলেছে, অভিযান মূলত হাজি মাজার বস্তি এলাকায় মাদক সেবন ও অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে।

এই অভিযানের ফলে স্থানীয়দের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং অপরাধ প্রবণ এলাকায় জনজীবনের স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

টঙ্গীতে মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৩৫ জন আটক

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

টঙ্গীর হাজি মাজার বস্তিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন জামালপুর, মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নওগাঁ, ঝালকাঠি ও শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার যুবকরা। এদের মধ্যে চারজন নিয়মিত মামলার আসামি। বাকিদের মধ্যে ৩১ জনকে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পুলিশ জানিয়েছে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান জানান, “অপরাধপ্রবণ এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে মোট ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, বিক্রি এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। এসময় কিছু মাদকসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

আটকরা হলেন জামালপুর সদরের নরনদী ক্ষীণপাড়া গ্রামের জয়দর আলীর ছেলে সাগর আলী (২১), মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার মাওনা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মাজেদুল ইসলাম মাহি (২২), জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার রামরামপুর গ্রামের শামসুল হকের ছেলে সাজু হাসান (৩১), পিরোজপুর সদরের বাদুরা গ্রামের মৃত রফিক নেয়ার ছেলে মো. জয় (১৯), ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার কালিবাজার গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে ফাহিম সিফাত (১৮), টঙ্গী পূর্ব থানার আরিচপুর এলাকার বাসেত ফকিরের ছেলে ইমন (২৩), কুমিল্লা মুরাদনগরের টনকি গ্রামের আজাহার হোসেনের ছেলে ইমন হাছান বাদল (২১), ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগরের ইউনুস মিয়ার ছেলে রাহাত (২৩), মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগর থানার কামারগাও গ্রামের আলী আকবর ভুঁইয়ার ছেলে মুরাদ হোসেন (৩৪), নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জের আমলাবো গ্রামের মতিনের ছেলে আল আমীন (৩০), জামালপুর বকশীগঞ্জের রামরামপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে আলী হোসেন (২৮)।

আটকদের মধ্যে রয়েছেন- নরসিংদী রায়পুরা থানার মানিকনগর গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩০), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের বুধপাড়া গ্রামের জামালের ছেলে মানিক (২৩),  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের চরবাগ ভাঙ্গা গ্রামের আশরাফুলের ছেলে মাহবুব (৪০), পশ্চিম থানার হাজির মাজার এলাকার জাহিদুলের ছেলে সালমান (১৯), ময়মনসিংহ ত্রিশাল থানার ভাওয়ালী পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে শাকিল মিয়া (২৩),  মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগরের পাড়াগাঁও গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে আজিম (২৫), নরসিংদী রায়পুরার মধ্যনগরের নুরুজ্জামান (২৬), কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জের ঝাঁটিয়া পাড়া গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে নাজমুল (৩০), মিরসরাই সদরের আবুল হাশেমের ছেলে জিহা (২১), নারায়ণগঞ্জ করিমগঞ্জের টামনি এলাকার নাজির উদ্দিনের ছেলে ছানোয়ার হোসেন (৩৪), নরসিংদী পলাশ থানার করতেতুল গ্রামের মৃত হাকিমের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩২), টাঙ্গাইল মধুপুর থানার অরুণখোলা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে আতিক হাসান (২৮), ঢাকা চকবাজারের মৃত কবির হোসেনের ছেলে নাজিম হোসেন (২৭), একই এলাকার মৃত জসীমউদ্দীনের ছেলে জামিল হোসেন (১৯), নওগাঁ বদলগাছি থানার হরজতপুর গ্রামের মৃত মোতাহার ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৫), ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট থানার উতিগুরা গ্রামের আলী আহমেদের ছেলে মোস্তাক হোসেন (৩১), ঝালকাঠি নলসিটি থানার শেরেবাংলা এলাকার মোকসে হাওলাদার ছেলে রমজান আলী (২৯), নরসিংদী রায়পুরা থানার কাটাকালি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান (২৫)।

টাংগাইল মধুপুর থানার আঙ্গিনা পাড়া গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে রবিন মিয়া (২৭), জামালপুর সরিষাবাড়ী থানার বাউশী বাজার গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে শফিকুর রহমান (৩০),  ময়মনসিংহ সদরের চক সামানমপুর গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক (২৫), শরীয়তপুর নড়িয়া থানার মাইজ পাড়া গ্রামের জাঙ্গীর আলমের ছেলে তুহিন (২৫), কুমিল্লা দেবিদ্বার থানার বলদপুর গ্রামের রহিম খানের ছেলে রাকিব (২৫), ও ও শরীয়তপুর গোসাইরহাট থানার চর দি প্রোগ্রামের আনোয়ারের ছেলে রবি (২৩) সহ ৩৫ জন। এদের মধ্যে চারজন নিয়মিত মামলার আসামি। ৩১ জন মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত।

পুলিশ বলেছে, অভিযান মূলত হাজি মাজার বস্তি এলাকায় মাদক সেবন ও অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে।

এই অভিযানের ফলে স্থানীয়দের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং অপরাধ প্রবণ এলাকায় জনজীবনের স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।