আটকদের মধ্যে রয়েছেন- নরসিংদী রায়পুরা থানার মানিকনগর গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩০), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের বুধপাড়া গ্রামের জামালের ছেলে মানিক (২৩), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের চরবাগ ভাঙ্গা গ্রামের আশরাফুলের ছেলে মাহবুব (৪০), পশ্চিম থানার হাজির মাজার এলাকার জাহিদুলের ছেলে সালমান (১৯), ময়মনসিংহ ত্রিশাল থানার ভাওয়ালী পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে শাকিল মিয়া (২৩), মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগরের পাড়াগাঁও গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে আজিম (২৫), নরসিংদী রায়পুরার মধ্যনগরের নুরুজ্জামান (২৬), কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জের ঝাঁটিয়া পাড়া গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে নাজমুল (৩০), মিরসরাই সদরের আবুল হাশেমের ছেলে জিহা (২১), নারায়ণগঞ্জ করিমগঞ্জের টামনি এলাকার নাজির উদ্দিনের ছেলে ছানোয়ার হোসেন (৩৪), নরসিংদী পলাশ থানার করতেতুল গ্রামের মৃত হাকিমের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩২), টাঙ্গাইল মধুপুর থানার অরুণখোলা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে আতিক হাসান (২৮), ঢাকা চকবাজারের মৃত কবির হোসেনের ছেলে নাজিম হোসেন (২৭), একই এলাকার মৃত জসীমউদ্দীনের ছেলে জামিল হোসেন (১৯), নওগাঁ বদলগাছি থানার হরজতপুর গ্রামের মৃত মোতাহার ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৫), ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট থানার উতিগুরা গ্রামের আলী আহমেদের ছেলে মোস্তাক হোসেন (৩১), ঝালকাঠি নলসিটি থানার শেরেবাংলা এলাকার মোকসে হাওলাদার ছেলে রমজান আলী (২৯), নরসিংদী রায়পুরা থানার কাটাকালি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান (২৫)।

টঙ্গীর হাজি মাজার বস্তিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন জামালপুর, মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নওগাঁ, ঝালকাঠি ও শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার যুবকরা। এদের মধ্যে চারজন নিয়মিত মামলার আসামি। বাকিদের মধ্যে ৩১ জনকে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পুলিশ জানিয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান জানান, “অপরাধপ্রবণ এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে মোট ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, বিক্রি এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। এসময় কিছু মাদকসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
পুলিশ বলেছে, অভিযান মূলত হাজি মাজার বস্তি এলাকায় মাদক সেবন ও অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে।
এই অভিযানের ফলে স্থানীয়দের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং অপরাধ প্রবণ এলাকায় জনজীবনের স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 



















