ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন পোশাক শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হবে ডিসেম্বর থেকে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম মালিককে গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের পূর্বানুমতি বেরোবিতে ‘জার্নাল অব লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস’-এর দ্বিতীয় খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক ‘অপলক’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজীব, জুটি হচ্ছেন নিশো-মেহজাবীন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন বই, জানালেন প্রতিমন্ত্রী

যাত্রাবিরতির দাবিতে নীলফামারীতে দারোয়ানি টেক্সটাইল রেলপথ অবরোধ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৬:১৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৭৭ Time View

ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল রেলস্টেশন এলাকায় রেলপথ অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল ও খয়রাতনগর রেলস্টেশনে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার সকাল ৯টার দিকে দারোয়ানি টেক্সটাইল রেলস্টেশন এলাকায় তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

অবরোধের কারণে রকেট মেইল ট্রেনটি দারোয়ানি টেক্সটাইল এলাকায় আটকা পড়ে। একই সঙ্গে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রূপসা এক্সপ্রেসও নীলফামারী রেলস্টেশনে আটকে থাকে। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন দুটিতে নিয়মিত ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় তাঁদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন। পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবসায়ীদের অন্য স্টেশনে যেতে হওয়ায় বাড়তি খরচও গুনতে হচ্ছে।

অবরোধকারীরা জানান, দারোয়ানি টেক্সটাইল ও উত্তরা ইপিজেড এলাকা নীলফামারীর গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল, যেখানে বিভিন্ন কারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পাশাপাশি আশপাশের ইউনিয়নের বাসিন্দারাও যাতায়াতের জন্য রেলপথের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু কাছের স্টেশনগুলোতে ট্রেন না থামায় তাঁদের অন্য স্টেশনে গিয়ে ট্রেনে উঠতে হয়।

অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার। তাঁরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। এরপর স্থানীয়রা অবরোধ তুলে নেন।

ইউএনও মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে স্টেশন দুটিতে কোন কোন ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া সম্ভব, তা বিবেচনা করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যাত্রাবিরতির দাবিতে নীলফামারীতে দারোয়ানি টেক্সটাইল রেলপথ অবরোধ

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:১৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল ও খয়রাতনগর রেলস্টেশনে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার সকাল ৯টার দিকে দারোয়ানি টেক্সটাইল রেলস্টেশন এলাকায় তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

অবরোধের কারণে রকেট মেইল ট্রেনটি দারোয়ানি টেক্সটাইল এলাকায় আটকা পড়ে। একই সঙ্গে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রূপসা এক্সপ্রেসও নীলফামারী রেলস্টেশনে আটকে থাকে। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন দুটিতে নিয়মিত ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় তাঁদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন। পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবসায়ীদের অন্য স্টেশনে যেতে হওয়ায় বাড়তি খরচও গুনতে হচ্ছে।

অবরোধকারীরা জানান, দারোয়ানি টেক্সটাইল ও উত্তরা ইপিজেড এলাকা নীলফামারীর গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল, যেখানে বিভিন্ন কারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পাশাপাশি আশপাশের ইউনিয়নের বাসিন্দারাও যাতায়াতের জন্য রেলপথের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু কাছের স্টেশনগুলোতে ট্রেন না থামায় তাঁদের অন্য স্টেশনে গিয়ে ট্রেনে উঠতে হয়।

অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার। তাঁরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। এরপর স্থানীয়রা অবরোধ তুলে নেন।

ইউএনও মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে স্টেশন দুটিতে কোন কোন ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া সম্ভব, তা বিবেচনা করা হবে।