
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স এ তথ্য নিশ্চিত করে।
সর্বশেষ অভিযানে ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ৩ জন শিশু (২ ছেলে ও ১ মেয়ে) রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
এর আগে উদ্ধার করা আরও দুইজনকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। সব মিলিয়ে এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১৪ জনে পৌঁছেছে।
জানা যায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় ছিল। বুধবার বিকেল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায় এবং দ্রুত তলিয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের ফরিদপুর স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন জানান, বাসটি নদীর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। উদ্ধারকারী দল বিশেষ সরঞ্জামের মাধ্যমে বাসটি তুলতে কাজ করছে।
তিনি বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া—বিশেষ করে বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং নদীর তীব্র ঢেউ—উদ্ধারকাজে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করছে। তবে দ্রুতই বাসটি সম্পূর্ণ উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসটির সামনের অংশ পানির উপরে ভেসে উঠতে দেখা যায়, যা উদ্ধার কার্যক্রমে অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়।
ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 



















