ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

শহীদ ওসমান হাদি হত্যার ১০০ দিন, বিচারের দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

আজ সকাল ১১টায় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ঝালকাঠি ইনসাফ মঞ্চ। শনিবার সকাল ১১টায় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ১০০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো বিচারিক অগ্রগতি নেই, যা হতাশাজনক। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তারা।

সংগঠনের আহ্বায়ক খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, “বিচারহীনতার ১০০ দিন পার হলেও প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা যায়নি। ৯০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই।”

তিনি আরও বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত, কারা অর্থদাতা এবং কারা মূল পরিকল্পনাকারী—সবকিছু এখনো অজানা। দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করে শহীদ হাদির জন্য প্রকৃত ইনসাফ নিশ্চিত করতে হবে।”

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন আল তাওফিক লিখন, অন্দ্রিলা সরকার, আরিফ বিল্লাহ ও ফাহফুজ খান।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় জুমার নামাজ শেষে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদির ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩২ বছর।

২০ ডিসেম্বর তার মরদেহ দেশে আনা হলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির নিকটে দাফন করা হয়।

তার মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ ঘটনায় বিচার দাবিতে বিভিন্ন সময় দেশের নানা স্থানে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

শহীদ ওসমান হাদি হত্যার ১০০ দিন, বিচারের দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ঝালকাঠি ইনসাফ মঞ্চ। শনিবার সকাল ১১টায় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ১০০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো বিচারিক অগ্রগতি নেই, যা হতাশাজনক। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তারা।

সংগঠনের আহ্বায়ক খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, “বিচারহীনতার ১০০ দিন পার হলেও প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা যায়নি। ৯০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই।”

তিনি আরও বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত, কারা অর্থদাতা এবং কারা মূল পরিকল্পনাকারী—সবকিছু এখনো অজানা। দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করে শহীদ হাদির জন্য প্রকৃত ইনসাফ নিশ্চিত করতে হবে।”

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন আল তাওফিক লিখন, অন্দ্রিলা সরকার, আরিফ বিল্লাহ ও ফাহফুজ খান।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় জুমার নামাজ শেষে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদির ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩২ বছর।

২০ ডিসেম্বর তার মরদেহ দেশে আনা হলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির নিকটে দাফন করা হয়।

তার মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ ঘটনায় বিচার দাবিতে বিভিন্ন সময় দেশের নানা স্থানে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।