ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

পদ্মায় যৌথ অভিযান- ১ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, জনসম্মুখে ধ্বংস

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দিনব্যাপী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকায় পদ্মা নদীতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দিনব্যাপী এ অভিযানে প্রায় ১ লাখ মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে জনসম্মুখে আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযানটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সমন্বিত টিম। তারা পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ জাল জব্দ করেন।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম সফল করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে প্রজনন মৌসুমে জাটকা নিধন রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জাটকা সংরক্ষণে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধভাবে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না—এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মাছের প্রাচুর্য নিশ্চিত করতে এখনই জাটকা সংরক্ষণে গুরুত্ব দিতে হবে।

স্থানীয়রা জানান, পদ্মা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার হয়ে আসছে, যা মাছের প্রজনন ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং মৎস্য সম্পদের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহকে কেন্দ্র করে এ ধরনের জোরালো পদক্ষেপ ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

পদ্মায় যৌথ অভিযান- ১ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, জনসম্মুখে ধ্বংস

প্রকাশের সময়ঃ ১১:১৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকায় পদ্মা নদীতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দিনব্যাপী এ অভিযানে প্রায় ১ লাখ মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে জনসম্মুখে আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযানটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সমন্বিত টিম। তারা পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ জাল জব্দ করেন।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম সফল করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে প্রজনন মৌসুমে জাটকা নিধন রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জাটকা সংরক্ষণে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধভাবে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না—এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মাছের প্রাচুর্য নিশ্চিত করতে এখনই জাটকা সংরক্ষণে গুরুত্ব দিতে হবে।

স্থানীয়রা জানান, পদ্মা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার হয়ে আসছে, যা মাছের প্রজনন ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং মৎস্য সম্পদের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহকে কেন্দ্র করে এ ধরনের জোরালো পদক্ষেপ ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।