শিরোনামঃ
জবাবদিহির আড়ালে দায়মুক্তির সংস্কৃতি: তদন্ত আছে, ফল নেই
কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলেই তদন্ত কমিটি গঠন, কারণ দর্শানোর নোটিশ কিংবা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস, সবই দেখা যায়। কিছুদিন চলে তৎপরতা,
এআইয়ের ওপর অতি নির্ভরতায় হারাচ্ছে মানুষের নিজস্ব চিন্তার ক্ষমতা
আগে কোনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে মানুষ বই পড়ত, আলোচনা করত, তর্কে জড়াত, ভুল করে শিখত। এখন কয়েকটি শব্দ লিখলেই কৃত্রিম
প্রতিমা বিসর্জন হলেও বিসর্জন না হোক মানবতা
পুরাণ অনুযায়ী দেবী দুর্গার হাতে মহিষাসুরের পরাজয় শুধু এক প্রাচীন দেব-অসুরের যুদ্ধের কাহিনী নয়। যুগে যুগে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের এবং
মধ্যবিত্তের জীবনসংগ্রাম: আয় আছে, কিন্তু নেই ভবিষ্যতের নিরাপত্তা
মধ্যবিত্তের সবচেয়ে বড় সংকট কেবল অর্থের অভাব নয়; বরং আয় থাকা সত্ত্বেও ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিন্ত হতে না পারা। মাসের শুরুতে
শিক্ষিত বেকারত্ব: কেন তৈরি হচ্ছে ‘অপেক্ষার প্রজন্ম’
হাতে সনদ, চোখে স্বপ্ন; কিন্তু সামনে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নেই। বছরের পর বছর চাকরির প্রস্তুতি, একের পর এক আবেদন আর পরীক্ষার
নাগরিকের অভিযোগ কি দপ্তরের নথিতেই বন্দী
দুর্ভোগ থেকে মুক্তির আশায় নাগরিকেরা সরকারি দপ্তরে অভিযোগ জানান। কেউ রাস্তার খানাখন্দের কথা বলেন, কেউ জলাবদ্ধতার, কেউ অনিয়ম-দুর্নীতি বা সেবাবঞ্চনার
স্ক্রিনে সংযুক্ত, বাস্তবে বিচ্ছিন্ন: স্মার্টফোনের যুগে সম্পর্কের নীরব সংকট
সকালে ঘুম ভাঙে স্মার্টফোনের অ্যালার্মে, দিন শুরু হয় নোটিফিকেশন দিয়ে, আর রাত গড়ায় পর্দার আলোয়। একই ঘরে থেকেও মানুষ যেন
গাছ লাগানোর উৎসব, গাছ বাঁচানোর দায়িত্ব কোথায়?
বর্ষা এলেই দেশজুড়ে শুরু হয় বৃক্ষরোপণের উৎসব। কোথাও শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দেওয়া হয়, কোথাও জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা গাছ লাগিয়ে
ডিজিটাল নাগরিক, অ্যানালগ ভোগান্তি: অনলাইন সেবার আড়ালে পুরোনো জটিলতা কেন?
স্মার্টফোনের এক ক্লিকে টাকা পাঠানো যায়, কয়েক সেকেন্ডে বিশ্বের অন্য প্রান্তের খবর পাওয়া যায়, ঘরে বসেই কেনাকাটা ও ব্যাংকিং সম্ভব।
অনলাইন জুয়ার সর্বনাশা ছোবল: তরুণ সমাজ ও পরিবার ঝুঁকিতে
যুব সমাজে মাদকাসক্তির পাশাপাশি অনলাইন জুয়া এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এর বিস্তার ঘটছে। বাসাবাড়ি, বাস-ট্রেন,














