ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ভিডিও বানাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে কনটেন্ট ক্রিয়েটর শিশুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে সৎ মা আটক- পলাতক বাবা লুট হওয়া জামায়াতের ৯ মোটরসাইকেল বিএনপি নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা রাজধানীর সচিবালয় মেট্রোরেল স্টেশনে ট্রেনের ছাদে দুই ব্যক্তি কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিনিয়র সাংবাদিক জহির এনসিপির প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হতে আর ‘দুই দিন’ সময় লাগতে পারে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেগম জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় যুব দলের দোয়া মাহফিল “স্বেচ্ছায় বিবাহ, তবুও  অপহরণ মামলা-নিরাপত্তা চেয়ে  ইসরাত খাতুন”র সংবাদ সম্মেলন ৮ দল আমাদের আর ৮ দল থাকছে না- আরও অনেক দল জোট করার আবেদন করছে- গোলাম পরওয়ার

মোহনপুরে ধানের শীষের কর্মীসভায় মিলনের হুঁশিয়ারি—‘ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ঐক্যই হবে অস্ত্র’

“তারেক রহমানের একটাই নির্দেশনা—ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” এই বার্তাই দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

রোববার বিকেলে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ধুরইল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১নং ধুরইল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিলন বলেন,

“ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার পলায়ন করেছে, কিন্তু তারা আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ঐক্য ধরে রাখতে হবে। ধানের শীষ কারো একার প্রতীক নয়—এটা জনগণের প্রতীক, দেশের প্রতীক।”

তিনি আরও বলেন,

“৫ আগস্টের আন্দোলনের সময় যেমন সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো, সেই ঐক্যই এখন সবচেয়ে বড় শক্তি। ঐক্য থাকলে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।”

মিলন অভিযোগ করেন, পতিত সরকারের দোসররা ধুরইল ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। তবুও কর্মীরা দমে যাননি, বরং আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন,

“ফ্যাসিস্টরা ভেবেছিলো—কয়েকজন নেতাকে কারাগারে রাখলেই বিএনপি শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিকদের কারাগারেও আটকে রাখা যায়নি। তারা যুদ্ধের সৈনিক, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গণতন্ত্রের লড়াই চালিয়ে যাবে।”

তিনি আরো  বলেন,

“বেগম খালেদা জিয়া শুধু তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি আপসহীন নেত্রী, জনগণের মায়ের মতো ত্যাগী রাজনীতিক। তিনি দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে লড়ছেন। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সালে এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় বেইমান হিসেবে ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়েছেন।”

এ সময় তিনি সতর্ক করে বলেন,

“ধানের শীষের নামে, বেহেস্তের টিকিট বিক্রির নামে যারা জনগণকে ধোঁকা দিতে চায়—তাদের মুখোশ খুলে দিতে হবে। বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মীদের এখন থেকে সতর্ক থাকতে হবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ (কালিম)।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুব আর রশিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন সরকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আক্তার শামসুজ্জোহা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মুখলেছুর রহমান প্রমুখ।

সভায় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে “ধানের শীষ বিজয়ের প্রতীক” স্লোগানে মাঠ প্রকম্পিত করেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

ভিডিও বানাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে কনটেন্ট ক্রিয়েটর

মোহনপুরে ধানের শীষের কর্মীসভায় মিলনের হুঁশিয়ারি—‘ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ঐক্যই হবে অস্ত্র’

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

“তারেক রহমানের একটাই নির্দেশনা—ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” এই বার্তাই দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

রোববার বিকেলে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ধুরইল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১নং ধুরইল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিলন বলেন,

“ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার পলায়ন করেছে, কিন্তু তারা আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ঐক্য ধরে রাখতে হবে। ধানের শীষ কারো একার প্রতীক নয়—এটা জনগণের প্রতীক, দেশের প্রতীক।”

তিনি আরও বলেন,

“৫ আগস্টের আন্দোলনের সময় যেমন সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো, সেই ঐক্যই এখন সবচেয়ে বড় শক্তি। ঐক্য থাকলে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।”

মিলন অভিযোগ করেন, পতিত সরকারের দোসররা ধুরইল ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। তবুও কর্মীরা দমে যাননি, বরং আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন,

“ফ্যাসিস্টরা ভেবেছিলো—কয়েকজন নেতাকে কারাগারে রাখলেই বিএনপি শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিকদের কারাগারেও আটকে রাখা যায়নি। তারা যুদ্ধের সৈনিক, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গণতন্ত্রের লড়াই চালিয়ে যাবে।”

তিনি আরো  বলেন,

“বেগম খালেদা জিয়া শুধু তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি আপসহীন নেত্রী, জনগণের মায়ের মতো ত্যাগী রাজনীতিক। তিনি দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে লড়ছেন। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সালে এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় বেইমান হিসেবে ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়েছেন।”

এ সময় তিনি সতর্ক করে বলেন,

“ধানের শীষের নামে, বেহেস্তের টিকিট বিক্রির নামে যারা জনগণকে ধোঁকা দিতে চায়—তাদের মুখোশ খুলে দিতে হবে। বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মীদের এখন থেকে সতর্ক থাকতে হবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ (কালিম)।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুব আর রশিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন সরকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আক্তার শামসুজ্জোহা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মুখলেছুর রহমান প্রমুখ।

সভায় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে “ধানের শীষ বিজয়ের প্রতীক” স্লোগানে মাঠ প্রকম্পিত করেন।