ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

রাজশাহী-৩-এ বহিরাগত প্রার্থী ঘোষণায় বিএনপির একাংশের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ

রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনে স্থানীয় প্রার্থীর দাবিতে বিএনপির একাংশের নেতা–কর্মীরা আজ শনিবার নওহাটা বাজারে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে তাঁরা নওহাটা কলেজ মোড়ে মহাসড়কে শুয়ে পড়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজশাহীর ছয়টি আসনের পাঁচটিতে স্থানীয় প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও রাজশাহী-৩–এ বহিরাগত হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক শফিকুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন স্থানীয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকা এবং রাজশাহী-২ আসনের ভোটার হওয়ায় তাঁর প্রতি তৃণমূলে অনাস্থা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

পবা ও মোহনপুর উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতারা বলেন, দুঃসময়ে স্থানীয় নেতা রায়হানুল আলম তৃণমূলের পাশে থেকেছেন। তাঁকে বাদ দিয়ে বহিরাগতকে প্রার্থী করায় তারা অপমানিত ও ক্ষুব্ধ। স্থানীয় প্রার্থীর দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তাঁরা।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে পারিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি খাইরুল ইসলাম, পবা উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, নওহাটা পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলামসহ অনেকে অভিযোগ করেন—রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে ওঠা আন্দোলনের মূল্যায়ন হচ্ছে না, তৃণমূলকে অবমূল্যায়ন করলে সংগঠন দুর্বল হবে।

এদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল হক বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠিক না। বড় দলে প্রত্যাশা থাকতেই পারে। তবে নেতাদের উচিত দায়িত্বশীল আচরণ করা এবং বিভ্রান্তিকর কর্মসূচি থেকে বিরত থাকা।’

সমাবেশ শেষে মহাসড়কে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভকারীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের ব্যানারে লেখা ছিল—‘স্থানীয় প্রার্থী চাই’, ‘তৃণমূলের রক্ত-ঘামে গড়া আন্দোলনের মূল্যায়ন চাই’। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন তরিকুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম, আওয়াল হোসেন, মিলন হোসেনসহ স্থানীয় নেতারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

রাজশাহী-৩-এ বহিরাগত প্রার্থী ঘোষণায় বিএনপির একাংশের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনে স্থানীয় প্রার্থীর দাবিতে বিএনপির একাংশের নেতা–কর্মীরা আজ শনিবার নওহাটা বাজারে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে তাঁরা নওহাটা কলেজ মোড়ে মহাসড়কে শুয়ে পড়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজশাহীর ছয়টি আসনের পাঁচটিতে স্থানীয় প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও রাজশাহী-৩–এ বহিরাগত হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক শফিকুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন স্থানীয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকা এবং রাজশাহী-২ আসনের ভোটার হওয়ায় তাঁর প্রতি তৃণমূলে অনাস্থা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

পবা ও মোহনপুর উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতারা বলেন, দুঃসময়ে স্থানীয় নেতা রায়হানুল আলম তৃণমূলের পাশে থেকেছেন। তাঁকে বাদ দিয়ে বহিরাগতকে প্রার্থী করায় তারা অপমানিত ও ক্ষুব্ধ। স্থানীয় প্রার্থীর দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তাঁরা।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে পারিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি খাইরুল ইসলাম, পবা উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, নওহাটা পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলামসহ অনেকে অভিযোগ করেন—রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে ওঠা আন্দোলনের মূল্যায়ন হচ্ছে না, তৃণমূলকে অবমূল্যায়ন করলে সংগঠন দুর্বল হবে।

এদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল হক বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠিক না। বড় দলে প্রত্যাশা থাকতেই পারে। তবে নেতাদের উচিত দায়িত্বশীল আচরণ করা এবং বিভ্রান্তিকর কর্মসূচি থেকে বিরত থাকা।’

সমাবেশ শেষে মহাসড়কে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভকারীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের ব্যানারে লেখা ছিল—‘স্থানীয় প্রার্থী চাই’, ‘তৃণমূলের রক্ত-ঘামে গড়া আন্দোলনের মূল্যায়ন চাই’। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন তরিকুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম, আওয়াল হোসেন, মিলন হোসেনসহ স্থানীয় নেতারা।