ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ- ঘটনাস্থল পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি বেরোবিতে হল সংকট নিরসনে পাঁচ দফা দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি বেরোবিতে উপাচার্যের আপ্যায়ন খাতে ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ের পর নতুন চাহিদা ২০ লাখ ময়মনসিংহে নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বার্সেলোনার হয়ে খেলা একটি স্বপ্ন: রদ্রি চান্দিনায় ঘরে ঢুকে গৃহকর্ত্রীকে হত্যা, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত রাকসু ভবনে হামলার ঘটনায় আম্মারের হত্যাচেষ্টা মামলা, আসামি ৫ পতেঙ্গায় সাগরে ডুবে বন্ধুর মৃত্যু, অপহরণের নাটক সাজিয়ে ৬০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ মিরপুর বিআরটিএতে মোবাইল কোর্টের অভিযান, ৩ জনের কারাদণ্ড দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে ম্যাকাইয়ে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় তিন স্তরের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে-ইসি সচিব

ইসি সচিব আখতার আহমেদ। ছবি-সংগ্রহীত

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান তিনি।ইসি সচিব বলেন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা, চেকপোস্ট এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ – এই তিন ভাগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে। প্রথম দিন থেকেই আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।
তিনি জানান, সুষ্ঠু-সুন্দর ভোট অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ সহযোগিতা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর ব্যত্যয় ঘটলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।আখতার আহমেদ বলেন, যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত।তিনি আরও জানান, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং ডিজিটাল পরিবেশ সুরক্ষায় সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যেসব অস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইসি সচিব বলেন, রাজনৈতিক দলের কোনো নেতা কিংবা প্রার্থীর কাছ থেকে কোনো ধরনের সুবিধা নেওয়া যাবে না – আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ নির্দেশনা স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে বা কীভাবে মোতায়েন হবে, সে বিষয়ে এখনও আলোচনা হয়নি।প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিএমপি কমিশনার, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই, র‍্যাব এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রতিনিধি ও মহাপরিচালক। তিন ঘণ্টাব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ- ঘটনাস্থল পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় তিন স্তরের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে-ইসি সচিব

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৫২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান তিনি।ইসি সচিব বলেন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা, চেকপোস্ট এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ – এই তিন ভাগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে। প্রথম দিন থেকেই আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।
তিনি জানান, সুষ্ঠু-সুন্দর ভোট অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ সহযোগিতা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর ব্যত্যয় ঘটলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।আখতার আহমেদ বলেন, যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত।তিনি আরও জানান, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং ডিজিটাল পরিবেশ সুরক্ষায় সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যেসব অস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইসি সচিব বলেন, রাজনৈতিক দলের কোনো নেতা কিংবা প্রার্থীর কাছ থেকে কোনো ধরনের সুবিধা নেওয়া যাবে না – আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ নির্দেশনা স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে বা কীভাবে মোতায়েন হবে, সে বিষয়ে এখনও আলোচনা হয়নি।প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিএমপি কমিশনার, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই, র‍্যাব এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রতিনিধি ও মহাপরিচালক। তিন ঘণ্টাব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।