
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে দুই বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও বিএসএফ’র প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিপন্থী বলে জানিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের আমীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের জামায়াতের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. কেরামত আলী। তিনি বুববার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরো বলেন, গত ৩০ নভেম্বর দিবাগত রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে দু’জন বাংলাদেশি যুবককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ হত্যা করে তাদের লাশ পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। এই ঘটনা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর নগ্ন আঘাত এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের জঘন্য উদাহরণ।এই হত্যাকাণ্ড কেবল দু’জন বাংলাদেশির প্রাণহানি নয়, বরং বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আক্রমণ। আমরা এই মানবতাবিরোধী অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাই এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এর বিচার দাবি করছি। ড. কেরামত আলী আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী লঙ্ঘনসমূহ উদাহরণ দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, জাতিসংঘ সনদ (আর্টিকেল ২(৪), কোনো রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না। বিএসএফের এই কর্মকাণ্ড স্পষ্টতই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। “আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি (ওঈঈ আর্টিকেল ৬)” প্রত্যেক মানুষের জীবন রক্ষার অধিকার রয়েছে। সীমান্তে নিরীহ মানুষ হত্যা এই মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রোম স্ট্যাটিউট (ওঈঈ, আর্টিকেল ৭),পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক নাগরিক হত্যা মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। সীমান্ত আইন ও প্রটোকল: সীমান্তে আইন প্রয়োগে সংযম প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিপন্থী।
উল্লেখ্য, গত সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার পাকা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর বিজেপির অধীনস্থ ৭/৮এস নাম্বার পিলার এলাকা বিএসএফ’র সদস্যরা গুলি চালালে দুর্লভপুর ইউনিয়নের চর হাসানপুর গাইপাড়া গ্রামের আমিরুলের ছেলে আব্দুল মমিন(২৯) এবং অন্যজন হলো পাকা ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ইব্রাহিম রিংকু (৩৮) নিহত হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 






















