ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা- মৃত্যু ৪০০ পেরোল, আক্রান্ত প্রায় লাখ

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ।ফাইল ছবি

ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে। আর এখন পর্যন্ত আক্রান্ত এক লাখের কাছাকাছি। গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। এ বছর ডিসেম্বর মাসের অর্ধকে সময় না যেতেই সংক্রমণের সংখ্যা গত বছরের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ জন আর এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪১১ জন।আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের হাসপাতালগুলোয় ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১৬৯ জন। দুই সিটির বাইরে চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৬১। সব মিলিয়ে এবার এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে ৯৯ হাজার ৪৯৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর এখন পর্যন্ত এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪০৪ জন।চলতি বছর গত নভেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও সংক্রমণ হয়। গত বছর নভেম্বরে সর্বোচ্চ মৃত্যু হলেও সর্বোচ্চ সংক্রমণ হয়েছিল অক্টোবর মাসে। তবে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সংক্রমণ অনেক কমে গিয়েছিল। তবে এ বছর এই মাস, অর্থাৎ ডিসেম্বরে সংক্রমণ গত বছরের মতো দ্রুত না–ও কমতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, নভেম্বর মাসে যে বৃষ্টি হয়েছিল, তার কারণে এ মাসের অন্তত মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্ক এডিস মশা টিকে থাকবে। এর পাশাপাশি মশা নিধন ও পরিস্কার–পরিচ্ছন্নতার কাজে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় নয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ডেঙ্গুর আক্রমণ বেশি পরিমাণে কমার জন্য আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।২০০০ সালে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ওই বছর ৫ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে মারা যান ৯৩ জন। ঘটনাটি সাধারণ মানুষের কাছে নতুন ছিল। ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত ও মারা যান ২০২৩ সালে। সে বছর আক্রান্ত হয়েছিলেন তিন লাখের বেশি মানুষ, মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা- মৃত্যু ৪০০ পেরোল, আক্রান্ত প্রায় লাখ

প্রকাশের সময়ঃ ১১:১৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে। আর এখন পর্যন্ত আক্রান্ত এক লাখের কাছাকাছি। গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। এ বছর ডিসেম্বর মাসের অর্ধকে সময় না যেতেই সংক্রমণের সংখ্যা গত বছরের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ জন আর এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪১১ জন।আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের হাসপাতালগুলোয় ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১৬৯ জন। দুই সিটির বাইরে চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৬১। সব মিলিয়ে এবার এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে ৯৯ হাজার ৪৯৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর এখন পর্যন্ত এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪০৪ জন।চলতি বছর গত নভেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও সংক্রমণ হয়। গত বছর নভেম্বরে সর্বোচ্চ মৃত্যু হলেও সর্বোচ্চ সংক্রমণ হয়েছিল অক্টোবর মাসে। তবে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সংক্রমণ অনেক কমে গিয়েছিল। তবে এ বছর এই মাস, অর্থাৎ ডিসেম্বরে সংক্রমণ গত বছরের মতো দ্রুত না–ও কমতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, নভেম্বর মাসে যে বৃষ্টি হয়েছিল, তার কারণে এ মাসের অন্তত মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্ক এডিস মশা টিকে থাকবে। এর পাশাপাশি মশা নিধন ও পরিস্কার–পরিচ্ছন্নতার কাজে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় নয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ডেঙ্গুর আক্রমণ বেশি পরিমাণে কমার জন্য আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।২০০০ সালে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ওই বছর ৫ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে মারা যান ৯৩ জন। ঘটনাটি সাধারণ মানুষের কাছে নতুন ছিল। ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত ও মারা যান ২০২৩ সালে। সে বছর আক্রান্ত হয়েছিলেন তিন লাখের বেশি মানুষ, মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।