ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ দুই পরীক্ষার্থী আটক

বরগুনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে নকল ও অনিয়মের অভিযোগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোনসহ দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অপরজনের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চলছে।

জানা গেছে, শুক্রবার বরগুনা সরকারি কলেজের ২ নম্বর কেন্দ্রের ৩০২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা চলাকালে ইয়ামিন নামের এক পরীক্ষার্থীকে একটি যোগাযোগযোগ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টার কার্ড)সহ আটক করা হয়। একই দিন বরগুনা আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্র থেকে মো. রাসেল মিয়া নামের আরেক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। আটক দুজনই বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

এনএসআই বরগুনা কার্যালয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর আরিফ চৌধুরী দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় মো. রাসেল মিয়াকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠান। অপর পরীক্ষার্থী ইয়ামিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলায় ২১টি কেন্দ্রে মোট ৮ হাজার ২২০ জন চাকরিপ্রার্থী সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেহ বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ৮ হাজার ২২০ জন অংশগ্রহণ করেছেন। নকল ও অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী জানান, আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্রে এক পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এ অপরাধে তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম জানান, ইয়ামিন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ দুই পরীক্ষার্থী আটক

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:০৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

বরগুনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে নকল ও অনিয়মের অভিযোগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোনসহ দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অপরজনের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চলছে।

জানা গেছে, শুক্রবার বরগুনা সরকারি কলেজের ২ নম্বর কেন্দ্রের ৩০২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা চলাকালে ইয়ামিন নামের এক পরীক্ষার্থীকে একটি যোগাযোগযোগ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টার কার্ড)সহ আটক করা হয়। একই দিন বরগুনা আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্র থেকে মো. রাসেল মিয়া নামের আরেক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। আটক দুজনই বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

এনএসআই বরগুনা কার্যালয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর আরিফ চৌধুরী দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় মো. রাসেল মিয়াকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠান। অপর পরীক্ষার্থী ইয়ামিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলায় ২১টি কেন্দ্রে মোট ৮ হাজার ২২০ জন চাকরিপ্রার্থী সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেহ বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ৮ হাজার ২২০ জন অংশগ্রহণ করেছেন। নকল ও অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী জানান, আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্রে এক পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এ অপরাধে তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম জানান, ইয়ামিন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।