ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক চৌহদিটোলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার টিম ৪ এর বিশেষ অভিযান ইবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে আরও একজনের মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় আগাম খেজুর গুড় তৈরির প্রস্তুতি, গাছ ঝোড়ায় ব্যস্ত গাছিরা রাবিতে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ, চার সাংবাদিকসহ আহত ১০ রামেক হাসপাতালে ডেঙ্গুতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুবকের মৃত্যু বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম

নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ দুই পরীক্ষার্থী আটক

বরগুনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে নকল ও অনিয়মের অভিযোগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোনসহ দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অপরজনের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চলছে।

জানা গেছে, শুক্রবার বরগুনা সরকারি কলেজের ২ নম্বর কেন্দ্রের ৩০২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা চলাকালে ইয়ামিন নামের এক পরীক্ষার্থীকে একটি যোগাযোগযোগ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টার কার্ড)সহ আটক করা হয়। একই দিন বরগুনা আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্র থেকে মো. রাসেল মিয়া নামের আরেক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। আটক দুজনই বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

এনএসআই বরগুনা কার্যালয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর আরিফ চৌধুরী দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় মো. রাসেল মিয়াকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠান। অপর পরীক্ষার্থী ইয়ামিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলায় ২১টি কেন্দ্রে মোট ৮ হাজার ২২০ জন চাকরিপ্রার্থী সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেহ বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ৮ হাজার ২২০ জন অংশগ্রহণ করেছেন। নকল ও অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী জানান, আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্রে এক পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এ অপরাধে তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম জানান, ইয়ামিন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক

নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ দুই পরীক্ষার্থী আটক

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:০৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

বরগুনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে নকল ও অনিয়মের অভিযোগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোনসহ দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অপরজনের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চলছে।

জানা গেছে, শুক্রবার বরগুনা সরকারি কলেজের ২ নম্বর কেন্দ্রের ৩০২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা চলাকালে ইয়ামিন নামের এক পরীক্ষার্থীকে একটি যোগাযোগযোগ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টার কার্ড)সহ আটক করা হয়। একই দিন বরগুনা আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্র থেকে মো. রাসেল মিয়া নামের আরেক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। আটক দুজনই বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

এনএসআই বরগুনা কার্যালয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর আরিফ চৌধুরী দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় মো. রাসেল মিয়াকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠান। অপর পরীক্ষার্থী ইয়ামিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলায় ২১টি কেন্দ্রে মোট ৮ হাজার ২২০ জন চাকরিপ্রার্থী সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেহ বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ৮ হাজার ২২০ জন অংশগ্রহণ করেছেন। নকল ও অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী জানান, আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্রে এক পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এ অপরাধে তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম জানান, ইয়ামিন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।