ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

রাজশাহীতে বৈষ্ণব সভা মন্দির নির্মাণের উদ্বোধন

নগরীর গণকপাড়া এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নির্মাণ কাজের সূচনা হয়।

রাজশাহী নগরীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় সংগঠন বৈষ্ণব সভার উদ্যোগে নতুন মন্দির নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে নগরীর গণকপাড়া এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নির্মাণ কাজের সূচনা হয়।

বৈষ্ণব সভা মন্দিরের সভাপতি শ্রী অশোক কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবু বাক্কার কিনু, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি অচিন্ত কুমার বিশ্বাস, মুক্তা হোমস রাজশাহীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ওবায়দুর মুকতাদির মুক্তা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সুকুমার চন্দ্র, অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, সুব্রত রায়সহ বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, বৈষ্ণব ধর্মীয় দর্শনে মানবপ্রেম, অহিংসা ও ভক্তির মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার আরাধনার কথা বলা হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভক্তি ও নামসংকীর্তনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠাই বৈষ্ণব দর্শনের মূল শিক্ষা। নতুন মন্দিরটি এই অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় চর্চা, পূজা-অর্চনা ও সামাজিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কেবল উপাসনার স্থান নয়, বরং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার ক্ষেত্র। বৈষ্ণব সভা মন্দির নির্মাণের মাধ্যমে রাজশাহীতে ধর্মীয় সহাবস্থান ও সামাজিক ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় আবহে মন্দির নির্মাণ কাজ শুরুর জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয় এবং সকলের সহযোগিতায় দ্রুত নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

রাজশাহীতে বৈষ্ণব সভা মন্দির নির্মাণের উদ্বোধন

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৩১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী নগরীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় সংগঠন বৈষ্ণব সভার উদ্যোগে নতুন মন্দির নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে নগরীর গণকপাড়া এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নির্মাণ কাজের সূচনা হয়।

বৈষ্ণব সভা মন্দিরের সভাপতি শ্রী অশোক কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবু বাক্কার কিনু, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি অচিন্ত কুমার বিশ্বাস, মুক্তা হোমস রাজশাহীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ওবায়দুর মুকতাদির মুক্তা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সুকুমার চন্দ্র, অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, সুব্রত রায়সহ বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, বৈষ্ণব ধর্মীয় দর্শনে মানবপ্রেম, অহিংসা ও ভক্তির মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার আরাধনার কথা বলা হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভক্তি ও নামসংকীর্তনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠাই বৈষ্ণব দর্শনের মূল শিক্ষা। নতুন মন্দিরটি এই অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় চর্চা, পূজা-অর্চনা ও সামাজিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কেবল উপাসনার স্থান নয়, বরং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার ক্ষেত্র। বৈষ্ণব সভা মন্দির নির্মাণের মাধ্যমে রাজশাহীতে ধর্মীয় সহাবস্থান ও সামাজিক ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় আবহে মন্দির নির্মাণ কাজ শুরুর জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয় এবং সকলের সহযোগিতায় দ্রুত নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।