ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

স্বামীকে গাছে বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: জামালপুরে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

বুধবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।

জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্যা মধ্যেপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে মো. ফারুক হোসেন, আলী আকবরের ছেলে মুনছুর আলী এবং শফিকুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস হোসেন।

এদিকে একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একজন ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ী। ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই ব্যবসায়িক কাজে তারা সেলিম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে যান। কাজ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা বাড়ির উদ্দেশে ফিরছিলেন।

পথিমধ্যে জামালপুর সদর উপজেলার পাকুল্যা এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাদের গতিরোধ করে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকে এবং সন্দেহ প্রকাশ করে। নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিলেও তা বিশ্বাস না করে অভিযুক্তরা স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে এবং পরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।

ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে জামালপুর থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।

এ মামলার রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

স্বামীকে গাছে বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: জামালপুরে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:১৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্যা মধ্যেপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে মো. ফারুক হোসেন, আলী আকবরের ছেলে মুনছুর আলী এবং শফিকুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস হোসেন।

এদিকে একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একজন ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ী। ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই ব্যবসায়িক কাজে তারা সেলিম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে যান। কাজ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা বাড়ির উদ্দেশে ফিরছিলেন।

পথিমধ্যে জামালপুর সদর উপজেলার পাকুল্যা এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাদের গতিরোধ করে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকে এবং সন্দেহ প্রকাশ করে। নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিলেও তা বিশ্বাস না করে অভিযুক্তরা স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে এবং পরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।

ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে জামালপুর থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।

এ মামলার রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।