
সারা দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবেকদর পালিত হয়েছে। রমজান মাসের ২৭তম রাতে এ মহিমান্বিত রাত উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
সোমবার রাত জুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকারসহ নানা ইবাদতে মশগুল ছিলেন। এ রাতেই দেশের অধিকাংশ মসজিদে তারাবির নামাজে পবিত্র কোরআন খতম সম্পন্ন হয়।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মসজিদে সন্ধ্যার পর থেকেই মুসল্লিরা ভিড় করতে থাকেন। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ ছিল মুসল্লিদের উপচে পড়া উপস্থিতি। এশা ও তারাবির নামাজ শেষে খতিব ও ইমামরা শবেকদরের গুরুত্ব ও ফজিলত নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। পরে দেশ ও জাতির শান্তি, কল্যাণ এবং সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় মুসল্লিরা নিজেদের গুনাহ মাফ ও রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন। অনেককে অশ্রুসিক্ত নয়নে দোয়া করতে দেখা যায়।
পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কোরআন ও হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদরের তাৎপর্য, গুরুত্ব ও ফজিলত নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলাম ধর্মমতে, লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ একটি রাত। এই রাতে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। এ রাতে ইবাদত-বন্দেগির সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পায় এবং মহান আল্লাহ বান্দার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করেন।
হাদিসে রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে এই মহিমান্বিত রাতটি অনুসন্ধানের কথা বলা হয়েছে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 

























