ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

৩৬ বছর ধরে কাবা প্রাঙ্গণে তারাবিতে কোরআন খতম করছেন শায়খ সুদাইস

শায়খ ড. আবদুর রহমান আল-সুদাইস।সংগৃহীত ছবি

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে টানা ৩৬ বছর ধরে তারাবির নামাজে পবিত্র কোরআন খতম করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করতে যাচ্ছেন শায়খ ড. আবদুর রহমান আল-সুদাইস। মঙ্গলবার রাতে (স্থানীয় সময়) রমজানের ২৯তম তারাবিতে তার ইমামতিতে কোরআন খতম সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

শায়খ সুদাইস বর্তমানে মসজিদুল হারামের প্রধান ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা সংস্থার প্রধান হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন। ১৯৮৪ সাল থেকে তিনি নিয়মিতভাবে এই মসজিদে ইমামতি করে আসছেন।

তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ২২ বছর বয়সে ১৪০৪ হিজরি (১৯৮৪ সালের মে মাসে) মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। পরবর্তীতে প্রধান ইমামের দায়িত্বও পালন করেন। সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের নির্দেশনায় তার এই নিয়োগ হয়। কম বয়সে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।

২০১২ সালে (১৪৩৩ হিজরি) তাকে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা পরিষদের প্রধান করা হয়। পরে ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো মসজিদে নববিতে ইমামতি করেন তিনি। চলতি বছর তারাবিতে কোরআন খতমের মাধ্যমে তার এই ধারাবাহিকতার ৩৬ বছর পূর্ণ হচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও খতম শেষে তিনি দীর্ঘ মোনাজাত পরিচালনা করবেন বলে জানা গেছে।

শায়খ আবদুর রহমান আল-সুদাইস ১৯৬০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের কাসিম অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহী তিনি ১২ বছর বয়সেই পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি রিয়াদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষে ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতাও করেন।

ধর্মীয় ও সামাজিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৫ সালে দুবাই আন্তর্জাতিক পুরস্কারে বর্ষসেরা ইসলামী ব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

৩৬ বছর ধরে কাবা প্রাঙ্গণে তারাবিতে কোরআন খতম করছেন শায়খ সুদাইস

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৪৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে টানা ৩৬ বছর ধরে তারাবির নামাজে পবিত্র কোরআন খতম করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করতে যাচ্ছেন শায়খ ড. আবদুর রহমান আল-সুদাইস। মঙ্গলবার রাতে (স্থানীয় সময়) রমজানের ২৯তম তারাবিতে তার ইমামতিতে কোরআন খতম সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

শায়খ সুদাইস বর্তমানে মসজিদুল হারামের প্রধান ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা সংস্থার প্রধান হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন। ১৯৮৪ সাল থেকে তিনি নিয়মিতভাবে এই মসজিদে ইমামতি করে আসছেন।

তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ২২ বছর বয়সে ১৪০৪ হিজরি (১৯৮৪ সালের মে মাসে) মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। পরবর্তীতে প্রধান ইমামের দায়িত্বও পালন করেন। সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের নির্দেশনায় তার এই নিয়োগ হয়। কম বয়সে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।

২০১২ সালে (১৪৩৩ হিজরি) তাকে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা পরিষদের প্রধান করা হয়। পরে ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো মসজিদে নববিতে ইমামতি করেন তিনি। চলতি বছর তারাবিতে কোরআন খতমের মাধ্যমে তার এই ধারাবাহিকতার ৩৬ বছর পূর্ণ হচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও খতম শেষে তিনি দীর্ঘ মোনাজাত পরিচালনা করবেন বলে জানা গেছে।

শায়খ আবদুর রহমান আল-সুদাইস ১৯৬০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের কাসিম অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহী তিনি ১২ বছর বয়সেই পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি রিয়াদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষে ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতাও করেন।

ধর্মীয় ও সামাজিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৫ সালে দুবাই আন্তর্জাতিক পুরস্কারে বর্ষসেরা ইসলামী ব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন।