ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন, পাওয়ার কার থেকেই সূত্রপাত: রেল কর্মকর্তা

আজ সকাল পৌনে ৬টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাটের বিএমএ গেইটে ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফৌজদারহাটের বিএমএ গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, ট্রেনটির পাওয়ার কার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচে ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন বড় আকার ধারণের আগেই যাত্রীরা নিরাপদে নেমে যেতে সক্ষম হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকাল ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটি প্রায় ২২ মিনিট পর ভাটিয়ারী ও ফৌজদারহাট স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে আগুন দেখা যায়। এ সময় ট্রেনটি থেমে যায় এবং স্থানীয়রা যাত্রীদের দ্রুত নামতে সহায়তা করেন। ট্রেনটিতে প্রায় ৬০০ জন যাত্রী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় এবং অনেকেই তাড়াহুড়া করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। পাশের একটি প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজেও ট্রেনটিতে আগুনের উপস্থিতি ধরা পড়ে এবং প্ল্যাটফর্মে থাকা লোকজন যাত্রীদের সতর্ক করেন।

কুমিরা ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা আহসান আলী বলেন, পাওয়ার কার থেকে পাশের কোচে আগুন ছড়িয়ে পড়ার খবর পেয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে দুটি কোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনার পর প্রায় চার ঘণ্টা ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। পরে সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং আটকে পড়া ট্রেনগুলো গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী আশিকুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কোচগুলো আলাদা করে অক্ষত বগিগুলো কুমিরা স্টেশনে নেওয়া হয়। পরে নতুন দুটি বগি যুক্ত করে ট্রেনটি সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে পুনরায় যাত্রা শুরু করে। ক্ষতিগ্রস্ত কোচ দুটি মেরামতের জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।

বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার কারণ নির্ধারণে গঠিত তদন্ত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন, পাওয়ার কার থেকেই সূত্রপাত: রেল কর্মকর্তা

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৩০:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফৌজদারহাটের বিএমএ গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, ট্রেনটির পাওয়ার কার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচে ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন বড় আকার ধারণের আগেই যাত্রীরা নিরাপদে নেমে যেতে সক্ষম হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকাল ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটি প্রায় ২২ মিনিট পর ভাটিয়ারী ও ফৌজদারহাট স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে আগুন দেখা যায়। এ সময় ট্রেনটি থেমে যায় এবং স্থানীয়রা যাত্রীদের দ্রুত নামতে সহায়তা করেন। ট্রেনটিতে প্রায় ৬০০ জন যাত্রী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় এবং অনেকেই তাড়াহুড়া করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। পাশের একটি প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজেও ট্রেনটিতে আগুনের উপস্থিতি ধরা পড়ে এবং প্ল্যাটফর্মে থাকা লোকজন যাত্রীদের সতর্ক করেন।

কুমিরা ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা আহসান আলী বলেন, পাওয়ার কার থেকে পাশের কোচে আগুন ছড়িয়ে পড়ার খবর পেয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে দুটি কোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনার পর প্রায় চার ঘণ্টা ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। পরে সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং আটকে পড়া ট্রেনগুলো গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী আশিকুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কোচগুলো আলাদা করে অক্ষত বগিগুলো কুমিরা স্টেশনে নেওয়া হয়। পরে নতুন দুটি বগি যুক্ত করে ট্রেনটি সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে পুনরায় যাত্রা শুরু করে। ক্ষতিগ্রস্ত কোচ দুটি মেরামতের জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।

বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার কারণ নির্ধারণে গঠিত তদন্ত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।