ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক
রহস্যে ঘেরা হুমকির বার্তা

ডাকযোগে শিক্ষকদের টার্গেট করে ‘কাফনের কাপড়’! আতঙ্কে কলেজ

সরকারি ডাকযোগের মাধ্যমে কাফনের কাপড় পাঠিয়েছে।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষা অঙ্গনে। রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই সহকারী অধ্যাপকের নামে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা সরকারি ডাকযোগের মাধ্যমে কাফনের কাপড় পাঠিয়েছে—যা সরাসরি ‘মৃত্যু হুমকি’র ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কলেজটির সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুস সামাদের নামে স্থানীয় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আলাদাভাবে এই কাফনের কাপড় পাঠানো হয়। রহস্যজনক এ পার্সেল হাতে পাওয়ার পরই বিষয়টি শিক্ষক মহলে জানাজানি হলে সৃষ্টি হয় চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।

ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক জানান, “এটি নিছক মজা নয়, বরং স্পষ্ট হুমকি। আমরা ভীত ও শঙ্কিত। আমাদের জীবননিরাপত্তা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তবে কারা বা কেন এমন ভয়ঙ্কর বার্তা পাঠিয়েছে—সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীরাও এ ঘটনায় ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাষায়, শিক্ষকদের লক্ষ্য করে এমন ন্যাক্কারজনক ও ভীতিকর কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আঘাত। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত না করা হলে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

সরকারি ডাক যোগের মাধ্যমে কাফনের কাপড় পাঠায় ।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কাফনের কাপড় পাঠানো কোনো সাধারণ ঘটনা নয়; এটি সামাজিক ও মানসিক সন্ত্রাসের এক ভয়াবহ রূপ। এমন ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মনজুরুল আলম বলেন, রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই সহকারী অধ্যাপকের নামে অজ্ঞাত ব্যাক্তি সরকারি ডাকযোগের মাধ্যমে কাফনের কাপড় পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানায়  অত্র কলেজের এক প্রভাষক  একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে। রহস্য উদঘাটনে মাঠে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান ওসি মো: মনজুরুল আলম

সংশ্লিষ্টদের দাবি—ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের হুমকি ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

রহস্যে ঘেরা হুমকির বার্তা

ডাকযোগে শিক্ষকদের টার্গেট করে ‘কাফনের কাপড়’! আতঙ্কে কলেজ

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষা অঙ্গনে। রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই সহকারী অধ্যাপকের নামে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা সরকারি ডাকযোগের মাধ্যমে কাফনের কাপড় পাঠিয়েছে—যা সরাসরি ‘মৃত্যু হুমকি’র ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কলেজটির সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুস সামাদের নামে স্থানীয় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আলাদাভাবে এই কাফনের কাপড় পাঠানো হয়। রহস্যজনক এ পার্সেল হাতে পাওয়ার পরই বিষয়টি শিক্ষক মহলে জানাজানি হলে সৃষ্টি হয় চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।

ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক জানান, “এটি নিছক মজা নয়, বরং স্পষ্ট হুমকি। আমরা ভীত ও শঙ্কিত। আমাদের জীবননিরাপত্তা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তবে কারা বা কেন এমন ভয়ঙ্কর বার্তা পাঠিয়েছে—সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীরাও এ ঘটনায় ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাষায়, শিক্ষকদের লক্ষ্য করে এমন ন্যাক্কারজনক ও ভীতিকর কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আঘাত। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত না করা হলে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

সরকারি ডাক যোগের মাধ্যমে কাফনের কাপড় পাঠায় ।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কাফনের কাপড় পাঠানো কোনো সাধারণ ঘটনা নয়; এটি সামাজিক ও মানসিক সন্ত্রাসের এক ভয়াবহ রূপ। এমন ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মনজুরুল আলম বলেন, রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই সহকারী অধ্যাপকের নামে অজ্ঞাত ব্যাক্তি সরকারি ডাকযোগের মাধ্যমে কাফনের কাপড় পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানায়  অত্র কলেজের এক প্রভাষক  একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে। রহস্য উদঘাটনে মাঠে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান ওসি মো: মনজুরুল আলম

সংশ্লিষ্টদের দাবি—ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের হুমকি ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।