ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়
শোভাযাত্রায় প্রাণের নববর্ষ ১৪৩৩

মাগুরায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ

দিনব্যাপী এ আয়োজনে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, যা স্থানীয় মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণে গ্রামীণ ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাগুরায় উদযাপিত হয়েছে বর্ষবরণ উৎসব। দিনব্যাপী এ আয়োজনে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, যা স্থানীয় মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে।

জেলার ঐতিহ্যবাহী নোমানী ময়দানে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ ছিল গরুর গাড়ি ও মহিষের গাড়ির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। রঙিন সাজে সজ্জিত গাড়িগুলো গ্রামীণ জীবনধারার প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা লোকজ পোশাকে সজ্জিত হয়ে গান, বাদ্যযন্ত্র ও নানা উপস্থাপনার মাধ্যমে উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন।

শোভাযাত্রা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোনয়ার হোসেন খান। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। বক্তারা এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে এমন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সাথে পরিচিত করতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মাগুরায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ

সকাল থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে শোভাযাত্রার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, লোকজ সংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির আয়োজন করা হয়। স্থানীয় শিল্পীরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী গান ও পরিবেশনায় দর্শকদের মন জয় করেন।

বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৪ ও ১৫ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ মেলায় রয়েছে নাগরদোলা, খেলনা, হস্তশিল্প, মাটির তৈজসপত্রসহ নানা ধরনের লোকজ পণ্যের সমাহার। পাশাপাশি জিলাপি, পিঠা, মিষ্টান্নসহ ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মেলাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই মেলায় ঘুরতে এসে উপভোগ করেন বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতির রূপ।

সব মিলিয়ে ঐতিহ্য ও আনন্দের মেলবন্ধনে মাগুরার বর্ষবরণ উৎসব ১৪৩৩ পেয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা। গ্রামীণ ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণে এ আয়োজন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

শোভাযাত্রায় প্রাণের নববর্ষ ১৪৩৩

মাগুরায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৪৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণে গ্রামীণ ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাগুরায় উদযাপিত হয়েছে বর্ষবরণ উৎসব। দিনব্যাপী এ আয়োজনে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, যা স্থানীয় মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে।

জেলার ঐতিহ্যবাহী নোমানী ময়দানে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ ছিল গরুর গাড়ি ও মহিষের গাড়ির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। রঙিন সাজে সজ্জিত গাড়িগুলো গ্রামীণ জীবনধারার প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা লোকজ পোশাকে সজ্জিত হয়ে গান, বাদ্যযন্ত্র ও নানা উপস্থাপনার মাধ্যমে উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন।

শোভাযাত্রা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোনয়ার হোসেন খান। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। বক্তারা এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে এমন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সাথে পরিচিত করতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মাগুরায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ

সকাল থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে শোভাযাত্রার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, লোকজ সংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির আয়োজন করা হয়। স্থানীয় শিল্পীরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী গান ও পরিবেশনায় দর্শকদের মন জয় করেন।

বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৪ ও ১৫ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ মেলায় রয়েছে নাগরদোলা, খেলনা, হস্তশিল্প, মাটির তৈজসপত্রসহ নানা ধরনের লোকজ পণ্যের সমাহার। পাশাপাশি জিলাপি, পিঠা, মিষ্টান্নসহ ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মেলাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই মেলায় ঘুরতে এসে উপভোগ করেন বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতির রূপ।

সব মিলিয়ে ঐতিহ্য ও আনন্দের মেলবন্ধনে মাগুরার বর্ষবরণ উৎসব ১৪৩৩ পেয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা। গ্রামীণ ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণে এ আয়োজন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।