ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান

আজ (বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন তিনি।

রাজধানীতে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। এ বছর মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তাঁর পক্ষে পদক গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি জাইমা রহমান

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক প্রদান করা হয়।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নারী শিক্ষা এবং দেশগঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খালেদা জিয়াকে এ বছর মরণোত্তরভাবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর),বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জহুরুল করিম

,সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর),সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত,সংগীতে বশীর আহমেদ (মরণোত্তর),ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু),সমাজসেবায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর),জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর),পরিবেশ সংরক্ষণে মুকিত মজুমদার। এছাড়াও গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সমাজসেবা ও শিক্ষা খাতে আরও বেশ কয়েকজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (মুক্তিযুদ্ধ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসা), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পল্লী উন্নয়ন),এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল (সমাজসেবা),গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা)।

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য প্রতি বছর প্রদান করা হয়। এবারের আয়োজনে দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, সমাজসেবা ও রাষ্ট্রগঠনে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মানিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীতে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। এ বছর মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তাঁর পক্ষে পদক গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি জাইমা রহমান

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক প্রদান করা হয়।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নারী শিক্ষা এবং দেশগঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খালেদা জিয়াকে এ বছর মরণোত্তরভাবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর),বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জহুরুল করিম

,সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর),সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত,সংগীতে বশীর আহমেদ (মরণোত্তর),ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু),সমাজসেবায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর),জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর),পরিবেশ সংরক্ষণে মুকিত মজুমদার। এছাড়াও গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সমাজসেবা ও শিক্ষা খাতে আরও বেশ কয়েকজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (মুক্তিযুদ্ধ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসা), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পল্লী উন্নয়ন),এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল (সমাজসেবা),গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা)।

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য প্রতি বছর প্রদান করা হয়। এবারের আয়োজনে দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, সমাজসেবা ও রাষ্ট্রগঠনে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মানিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।