ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

হত্যা মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যান চাঁনমিয়া গ্রেপ্তার

রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে নিজ ইউনিয়নের সিডি খান গ্রামে অবস্থিত তার ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়।

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় বহুল আলোচিত হত্যা মামলার আসামি ও সিডি খান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চাঁনমিয়া সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে নিজ ইউনিয়নের সিডি খান গ্রামে অবস্থিত তার ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁনমিয়া সিকদারের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতা বাবুল ও মহাব্বাত হত্যা মামলাসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বহুদিনের।

মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু নাঈম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে, চাঁনমিয়া সিকদারের গ্রেপ্তারের পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে এলাকায় দীর্ঘদিনের অপরাধচক্র দুর্বল হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই গ্রেপ্তার শুধু একটি মামলার অগ্রগতি নয়, বরং স্থানীয় রাজনীতি ও ক্ষমতার ভারসাম্যেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এখন দেখার বিষয়, তদন্ত প্রক্রিয়া কত দ্রুত এগোয় এবং বিচারিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

হত্যা মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যান চাঁনমিয়া গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় বহুল আলোচিত হত্যা মামলার আসামি ও সিডি খান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চাঁনমিয়া সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে নিজ ইউনিয়নের সিডি খান গ্রামে অবস্থিত তার ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁনমিয়া সিকদারের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতা বাবুল ও মহাব্বাত হত্যা মামলাসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বহুদিনের।

মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু নাঈম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে, চাঁনমিয়া সিকদারের গ্রেপ্তারের পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে এলাকায় দীর্ঘদিনের অপরাধচক্র দুর্বল হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই গ্রেপ্তার শুধু একটি মামলার অগ্রগতি নয়, বরং স্থানীয় রাজনীতি ও ক্ষমতার ভারসাম্যেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এখন দেখার বিষয়, তদন্ত প্রক্রিয়া কত দ্রুত এগোয় এবং বিচারিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হয়।