ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

ইবিতে স্বপ্নবিতানের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘বৈশাখীয়ানা উৎসব’

  • ইবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৪:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩২২ Time View

বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) স্বপ্ন বিতানের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিনদিনব্যাপী ‘বৈশাখীয়ানা উৎসব-১৪৩৩’।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) থেকে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে সামাজিক সংগঠন স্বপ্নবিতানের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) শিক্ষার্থীদের পদচারণায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো বটতলা এলাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লোকজ সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরার পাশাপাশি মেলায় স্থান পেয়েছে মৃৎশিল্প, হস্তশিল্প এবং দেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী খাবার। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় ব্যানারে সাজিয়ে তুলেছেন নিজেদের স্টল। টাঙ্গাইলের বিখ্যাত চমচম, বগুড়ার দই,ফরিদপুরের ভেলপুরি, রসগোল্লা ও জিলাপিসহ নানা খাবারের স্টল নিয়ে অংশ নিয়েছেন ক্যাম্পাসের তরুণ উদ্যোক্তারা।

আয়োজকরা জানান, এবারের বৈশাখীয়ানা উৎসবে মোট ৩৩টি স্টল ও ৫টি স্পন্সর রয়েছে। স্পন্সরদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন পণ্যের স্টল দিয়েছেন। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে লোকগান ও লোকসংস্কৃতির আয়োজন রাখা হয়েছে, আর শেষ দিনে থাকবে ব্যান্ড সংগীত পরিবেশনা।

স্বপ্নবিতানের দপ্তর সম্পাদক সিনথিয়া সরকার দ্বীনা বলেন, আমাদের সংগঠনের কালচারাল সেক্টর মূলত বাংলাদেশের সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে। এখন আধুনিক যুগে আগের সেই গ্রামীন চিত্রগুলো আমরা ভুলে যাচ্ছি। গ্রামের বৈশাখী মেলা আগের মতো দেখা যায় না। শিক্ষার্থীদের সেই পরিবেশ মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য গতবছর থেকে স্বপ্নবিতান বৈশাখীয়ানা উৎসব আয়োজন করে যাচ্ছে। এই বছরও আমরা তিন দিন ব্যাপী আয়োজন রেখেছি। প্রথম দিন শুধু মেলা ছিলো। দ্বিতীয় দিন মেলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আয়োজন ছিলো। এদিন মূলত আমরা ফোক ফেস্ট করার চেষ্টা করেছি এবং আমরা বেশ ভালো সাড়া পেয়েছি।

মেলায় ঘুরতে এসা শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম বলেন, বৈশাখীয়ানার এই আয়োজনে মূলত বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু আনন্দের উৎসব নয়, বরং নতুন প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে পরিচিত করার একটি কার্যকর মাধ্যম।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ইবিতে স্বপ্নবিতানের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘বৈশাখীয়ানা উৎসব’

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) স্বপ্ন বিতানের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিনদিনব্যাপী ‘বৈশাখীয়ানা উৎসব-১৪৩৩’।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) থেকে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে সামাজিক সংগঠন স্বপ্নবিতানের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) শিক্ষার্থীদের পদচারণায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো বটতলা এলাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লোকজ সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরার পাশাপাশি মেলায় স্থান পেয়েছে মৃৎশিল্প, হস্তশিল্প এবং দেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী খাবার। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় ব্যানারে সাজিয়ে তুলেছেন নিজেদের স্টল। টাঙ্গাইলের বিখ্যাত চমচম, বগুড়ার দই,ফরিদপুরের ভেলপুরি, রসগোল্লা ও জিলাপিসহ নানা খাবারের স্টল নিয়ে অংশ নিয়েছেন ক্যাম্পাসের তরুণ উদ্যোক্তারা।

আয়োজকরা জানান, এবারের বৈশাখীয়ানা উৎসবে মোট ৩৩টি স্টল ও ৫টি স্পন্সর রয়েছে। স্পন্সরদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন পণ্যের স্টল দিয়েছেন। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে লোকগান ও লোকসংস্কৃতির আয়োজন রাখা হয়েছে, আর শেষ দিনে থাকবে ব্যান্ড সংগীত পরিবেশনা।

স্বপ্নবিতানের দপ্তর সম্পাদক সিনথিয়া সরকার দ্বীনা বলেন, আমাদের সংগঠনের কালচারাল সেক্টর মূলত বাংলাদেশের সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে। এখন আধুনিক যুগে আগের সেই গ্রামীন চিত্রগুলো আমরা ভুলে যাচ্ছি। গ্রামের বৈশাখী মেলা আগের মতো দেখা যায় না। শিক্ষার্থীদের সেই পরিবেশ মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য গতবছর থেকে স্বপ্নবিতান বৈশাখীয়ানা উৎসব আয়োজন করে যাচ্ছে। এই বছরও আমরা তিন দিন ব্যাপী আয়োজন রেখেছি। প্রথম দিন শুধু মেলা ছিলো। দ্বিতীয় দিন মেলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আয়োজন ছিলো। এদিন মূলত আমরা ফোক ফেস্ট করার চেষ্টা করেছি এবং আমরা বেশ ভালো সাড়া পেয়েছি।

মেলায় ঘুরতে এসা শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম বলেন, বৈশাখীয়ানার এই আয়োজনে মূলত বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু আনন্দের উৎসব নয়, বরং নতুন প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে পরিচিত করার একটি কার্যকর মাধ্যম।