ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

৬২১টি ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ

এআই জেনারেটেড প্রতীকী ছবি

দীর্ঘদিন ধরে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় সারা দেশের ৬২১টি ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তও আসছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) পাঠানো হয়েছে এবং আগামী ২২ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে পাঠানো হয়। চিঠির সঙ্গে এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের আওতায় থাকা ৬২১টি প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ তালিকাও সংযুক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের যেসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে না, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখাসহ পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, তার ব্যাখ্যা ২২ জুলাইয়ের মধ্যে বোর্ডে পাঠাতে হবে।

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৪-এর উপবিধি ৪.২, ৪.৪ এবং ৫.৪ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ভর্তি, পরীক্ষার ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, গ্রন্থাগার এবং পাঠদানের অনুমতির সময় আরোপিত অন্যান্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমতি বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারবে বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কার্যকর তদারকির স্বার্থে এই পদক্ষেপ সময়োচিত। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিষ্ক্রিয়তার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখাও জরুরি বলে তারা মত দিচ্ছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

৬২১টি ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ

প্রকাশের সময়ঃ ১২:০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় সারা দেশের ৬২১টি ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তও আসছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) পাঠানো হয়েছে এবং আগামী ২২ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে পাঠানো হয়। চিঠির সঙ্গে এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের আওতায় থাকা ৬২১টি প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ তালিকাও সংযুক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের যেসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে না, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখাসহ পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, তার ব্যাখ্যা ২২ জুলাইয়ের মধ্যে বোর্ডে পাঠাতে হবে।

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৪-এর উপবিধি ৪.২, ৪.৪ এবং ৫.৪ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ভর্তি, পরীক্ষার ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, গ্রন্থাগার এবং পাঠদানের অনুমতির সময় আরোপিত অন্যান্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমতি বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারবে বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কার্যকর তদারকির স্বার্থে এই পদক্ষেপ সময়োচিত। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিষ্ক্রিয়তার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখাও জরুরি বলে তারা মত দিচ্ছেন।