ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নুসরাত হত্যা মামলা- ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় আজ হত্যার পর গোসল করে খেজুর ও ইয়াবা সেবন করে খুনিরা- পুলিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুই প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন সকালের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা সঙ্গী অসুস্থ হলে শুধু পাশে থাকা যথেষ্ট, নাকি দায়িত্বও নিতে হবে? বদনজর লাগলে যেভাবে বুঝবেন, জেনে নিন করণীয় রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা- বিয়ের আগেই থেমে গেল আগামী চক্রবর্তীর স্বপ্ন রংপুরে পাশাপাশি চিতায় পরিবারের চার সদস্যের শেষকৃত্য সম্পন্ন মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাল নরসিংদী জেলা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উত্তর আমেরিকা বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি

পদোন্নতির দাবিতে ফের অবস্থান কর্মসূচিতে বেরোবি কর্মকর্তারা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে পদোন্নতির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বঞ্চিত কর্মকর্তারা। ছবি: প্রতিনিধি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) দীর্ঘদিন যাবৎ পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশন কার্যক্রম বাস্তবায়িত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তারা আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তাদের অভিযোগ, একাধিকবার সাক্ষাৎকার বোর্ডের তারিখ ঘোষণা করা হলেও প্রতিবারই তা বাতিল করা হয়েছে। এতে তারা চরম বঞ্চনা ও হতাশায় পড়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনরত কর্মকর্তারা রেজিস্ট্রার বরাবর একটি লিখিত আবেদনও জমা দেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির আবেদন করা হলে ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রথম সাক্ষাৎকার বোর্ড বসে। তবে সেই বোর্ডে কাউকে পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করা হয়নি। পরবর্তীতে উপাচার্য বর্তমান পদে চার বছর পূর্ণ হওয়ার পর পদোন্নতির আশ্বাস দেন। সেই অনুযায়ী পুনরায় আবেদন করা হলেও ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এবং ৯ মে ২০২৬ — তিনটি নির্ধারিত তারিখে বোর্ড বসেনি।

সর্বশেষ উপাচার্য বিদেশ সফর থেকে ফিরে ২৮ জুন বোর্ড আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু সেদিনও কোনো বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন কর্মকর্তারা।

আন্দোলনকারীরা জানান, একই নীতিমালার আওতায় অতীতে কিছু কর্মকর্তা পদোন্নতি পেলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত। এই কারণে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের সঙ্গে তাদের মাসিক বেতনে প্রায় ১৫ হাজার টাকার পার্থক্য তৈরি হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো চালু হলে এ ব্যবধান আরও বাড়বে।

একাডেমিক শাখার সহকারী কম্পিউটার প্রোগ্রামার মনজুরুল ইসলাম জানান, প্রায় ৫০ বারের বেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এর আগে কর্মবিরতি কর্মসূচিও পালন করা হয়েছিল, কিন্তু উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের আশ্বাসে তা প্রত্যাহার করা হয়। বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে এখন আর মৌখিক আশ্বাসে আস্থা রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

লিখিত আবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, দ্রুত পদোন্নতি বোর্ড আয়োজন না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে এবং তার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শুধু নিয়োগ নয়, পদোন্নতির ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ বলবৎ রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নুসরাত হত্যা মামলা- ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় আজ

পদোন্নতির দাবিতে ফের অবস্থান কর্মসূচিতে বেরোবি কর্মকর্তারা

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) দীর্ঘদিন যাবৎ পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশন কার্যক্রম বাস্তবায়িত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তারা আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তাদের অভিযোগ, একাধিকবার সাক্ষাৎকার বোর্ডের তারিখ ঘোষণা করা হলেও প্রতিবারই তা বাতিল করা হয়েছে। এতে তারা চরম বঞ্চনা ও হতাশায় পড়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই কর্মসূচি পালিত হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনরত কর্মকর্তারা রেজিস্ট্রার বরাবর একটি লিখিত আবেদনও জমা দেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির আবেদন করা হলে ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রথম সাক্ষাৎকার বোর্ড বসে। তবে সেই বোর্ডে কাউকে পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করা হয়নি। পরবর্তীতে উপাচার্য বর্তমান পদে চার বছর পূর্ণ হওয়ার পর পদোন্নতির আশ্বাস দেন। সেই অনুযায়ী পুনরায় আবেদন করা হলেও ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এবং ৯ মে ২০২৬ — তিনটি নির্ধারিত তারিখে বোর্ড বসেনি।

সর্বশেষ উপাচার্য বিদেশ সফর থেকে ফিরে ২৮ জুন বোর্ড আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু সেদিনও কোনো বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন কর্মকর্তারা।

আন্দোলনকারীরা জানান, একই নীতিমালার আওতায় অতীতে কিছু কর্মকর্তা পদোন্নতি পেলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত। এই কারণে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের সঙ্গে তাদের মাসিক বেতনে প্রায় ১৫ হাজার টাকার পার্থক্য তৈরি হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো চালু হলে এ ব্যবধান আরও বাড়বে।

একাডেমিক শাখার সহকারী কম্পিউটার প্রোগ্রামার মনজুরুল ইসলাম জানান, প্রায় ৫০ বারের বেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এর আগে কর্মবিরতি কর্মসূচিও পালন করা হয়েছিল, কিন্তু উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের আশ্বাসে তা প্রত্যাহার করা হয়। বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে এখন আর মৌখিক আশ্বাসে আস্থা রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

লিখিত আবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, দ্রুত পদোন্নতি বোর্ড আয়োজন না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে এবং তার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শুধু নিয়োগ নয়, পদোন্নতির ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ বলবৎ রয়েছে।