ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নুসরাত হত্যা মামলা- ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় আজ হত্যার পর গোসল করে খেজুর ও ইয়াবা সেবন করে খুনিরা- পুলিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুই প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন সকালের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা সঙ্গী অসুস্থ হলে শুধু পাশে থাকা যথেষ্ট, নাকি দায়িত্বও নিতে হবে? বদনজর লাগলে যেভাবে বুঝবেন, জেনে নিন করণীয় রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা- বিয়ের আগেই থেমে গেল আগামী চক্রবর্তীর স্বপ্ন রংপুরে পাশাপাশি চিতায় পরিবারের চার সদস্যের শেষকৃত্য সম্পন্ন মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাল নরসিংদী জেলা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উত্তর আমেরিকা বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি

সঙ্গী অসুস্থ হলে শুধু পাশে থাকা যথেষ্ট, নাকি দায়িত্বও নিতে হবে?

সঙ্গী অসুস্থ হলে শুধু পাশে থাকা নয়, প্রয়োজনে দায়িত্বও ভাগ করে নেওয়া জরুরি এআই জেনারেটেড-ছবি।

জীবনসঙ্গী অসুস্থ হলে তাঁর পাশে থাকা অবশ্যই জরুরি। তবে প্রশ্ন হলো, শুধু ‘বিশ্রাম নাও’ বলা বা খোঁজখবর নেওয়ার মধ্যেই কি দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়? নাকি সঙ্গীর কিছু কাজও নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া উচিত? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনা এই প্রশ্নকেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনে এই বিষয়ে তথ্য উঠে এসেছে। জানা যায়, সম্প্রতি ভারতের এক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী পূর্ণা শ্রীবাস্তব একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যায় অসুস্থ অবস্থাতেও এক নারী তাঁর কর্মস্থলে কাজ করছেন। এ সময় তাঁর স্বামীও সঙ্গে গিয়ে রান্নাঘরের কিছু কাজে তাঁকে সহায়তা করছেন।

ভিডিওটি প্রকাশের পর অনেকেই স্বামীর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, সঙ্গী অসুস্থ হলে শুধু সহানুভূতি প্রকাশ নয়, প্রয়োজনের মুহূর্তে বাস্তবিক সহায়তায় পাশে দাঁড়ানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এ নিয়ে ভিন্নমতও দেখা গেছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, অন্যের বাড়িতে কাজ করার সময় স্বামীকে সঙ্গে এনে কাজে যুক্ত করা আদৌ কতটা যুক্তিসংগত। এভাবে একটি ছোট ঘটনা থেকেই শুরু হয় সম্পর্কের দায়িত্ব, ব্যক্তিগত সীমারেখা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা।

ভালোবাসা কি শুধু কথাতেই প্রকাশ পায়

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরেই পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালে সায়েন্টিফিক রিপোর্টস সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দম্পতিদের মধ্যে ঘরের কাজ ভাগাভাগি এবং তার সঙ্গে সম্পর্কের মানের যোগসূত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের কাজ ভাগাভাগি নিয়ে সঙ্গীরা সন্তুষ্ট থাকলে তা সম্পর্কের সার্বিক সন্তুষ্টির সঙ্গেও ইতিবাচকভাবে যুক্ত থাকতে পারে।

অর্থাৎ, একজন অসুস্থ হলে অন্যজন সাময়িকভাবে কিছু দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া শুধু কাজের চাপ কমানোর বিষয় নয়। এর মাধ্যমে সঙ্গী এটাও উপলব্ধি করতে পারেন যে, কঠিন সময়ে তাঁকে একা সবকিছু সামলাতে হচ্ছে না।

দায়িত্ব ভাগাভাগি হতে পারে ছোট ছোট কাজেও

উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, স্ত্রী প্রতিদিন রান্না করেন। তিনি অসুস্থ হলে সেদিন স্বামী রান্নার দায়িত্ব নিতে পারেন। আবার স্বামী অসুস্থ হলে স্ত্রী তাঁর অফিসের প্রয়োজনীয় কাজগুলো গুছিয়ে দিতে পারেন। দুজনই চাকরিজীবী হলে এবং একজন অসুস্থ হয়ে পড়লে, অন্যজন সেদিন বাজার করা, খাবার আনা কিংবা ঘরের জরুরি কাজগুলো সামলে নিতে পারেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সঙ্গী অসুস্থ হলে পাশে থাকা শুধু ভালোবাসার একটি কথা নয়, বরং এটি একটি বাস্তব আচরণও হতে পারে। এক গ্লাস পানি এগিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে এক দিনের রান্না বা বাজারের দায়িত্ব নেওয়া—এমন ছোট ছোট কাজও তখন অনেক বড় অর্থ বহন করতে পারে।

সব দায়িত্ব কি সমানভাবে ভাগ করতে হবে

আসলে তেমনটা নয়। সম্পর্কে দায়িত্ব ভাগাভাগির কোনো একক সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। একজনের কর্মক্ষেত্রের সময় বেশি হতে পারে, অন্যজনের শারীরিক সক্ষমতা তুলনামূলক কম হতে পারে, আবার পরিবারভেদে পরিস্থিতিও ভিন্ন হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের কাজের ক্ষেত্রে শুধু সময়ের হিসাব নয়, বরং কাজ ভাগাভাগি নিয়ে দুজনের সন্তুষ্টি ও ন্যায্যতার অনুভূতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই একজন অসুস্থ হলে সাময়িকভাবে অন্যজন বেশি দায়িত্ব নিতেই পারেন, আর সুস্থ হয়ে ওঠার পর আবার আগের দায়িত্ব ভাগাভাগিতে ফিরে যাওয়া সম্ভব।

‘আমি আছি’ কথার বাস্তব প্রতিফলন

অসুস্থ সঙ্গীকে ‘চিন্তা কোরো না, আমি আছি’ বলা নিঃসন্দেহে ভালো একটি বিষয়। তবে সেই কথার সঙ্গে বাস্তব সহযোগিতা যুক্ত থাকলে তার অর্থ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যেমন—সঙ্গীকে বিশ্রামে থাকতে দিয়ে নিজে খাবার তৈরি করা, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এনে দেওয়া, ঘরের কাজ সামলে নেওয়া কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের দায়িত্ব নেওয়া।

মনোবিজ্ঞানভিত্তিক সম্পর্ক-আলোচনাতেও পারস্পরিক সমর্থন ও দায়িত্ব ভাগাভাগিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষত দুজনের প্রত্যাশা ও দায়িত্ব নিয়ে আগে থেকে পরিষ্কার বোঝাপড়া থাকলে দৈনন্দিন চাপ সামলানো তুলনামূলক সহজ হয়।

সাহায্য মানেই সবকিছু নিজের হাতে নেওয়া নয়

সঙ্গী অসুস্থ হলে তাঁকে সাহায্য করার অর্থ কখনোই তাঁর মতামত উপেক্ষা করা নয়। বরং তিনি ঠিক কী ধরনের সাহায্য চান, তা জানাও সমান জরুরি। কেউ হয়তো চান সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিতে, আবার কেউ হয়তো হালকা কিছু কাজ করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই সাহায্য করার আগে সঙ্গীর প্রকৃত প্রয়োজনটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।

সবশেষে বলা যায়, প্রশ্নটির সহজ উত্তর হলো-শুধু পাশে থাকাই যথেষ্ট নয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী দায়িত্বও ভাগ করে নেওয়া ভালো। তবে সেই দায়িত্ব কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং সঙ্গীর প্রয়োজন ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই তা ভাগ করে নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্কের সুস্থ ভারসাম্য গড়ে ওঠে পারস্পরিক সম্মতি, সম্মান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টনের মধ্য দিয়েই।

জনপ্রিয় সংবাদ

নুসরাত হত্যা মামলা- ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় আজ

সঙ্গী অসুস্থ হলে শুধু পাশে থাকা যথেষ্ট, নাকি দায়িত্বও নিতে হবে?

প্রকাশের সময়ঃ ০২:০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

জীবনসঙ্গী অসুস্থ হলে তাঁর পাশে থাকা অবশ্যই জরুরি। তবে প্রশ্ন হলো, শুধু ‘বিশ্রাম নাও’ বলা বা খোঁজখবর নেওয়ার মধ্যেই কি দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়? নাকি সঙ্গীর কিছু কাজও নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া উচিত? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনা এই প্রশ্নকেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনে এই বিষয়ে তথ্য উঠে এসেছে। জানা যায়, সম্প্রতি ভারতের এক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী পূর্ণা শ্রীবাস্তব একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যায় অসুস্থ অবস্থাতেও এক নারী তাঁর কর্মস্থলে কাজ করছেন। এ সময় তাঁর স্বামীও সঙ্গে গিয়ে রান্নাঘরের কিছু কাজে তাঁকে সহায়তা করছেন।

ভিডিওটি প্রকাশের পর অনেকেই স্বামীর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, সঙ্গী অসুস্থ হলে শুধু সহানুভূতি প্রকাশ নয়, প্রয়োজনের মুহূর্তে বাস্তবিক সহায়তায় পাশে দাঁড়ানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এ নিয়ে ভিন্নমতও দেখা গেছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, অন্যের বাড়িতে কাজ করার সময় স্বামীকে সঙ্গে এনে কাজে যুক্ত করা আদৌ কতটা যুক্তিসংগত। এভাবে একটি ছোট ঘটনা থেকেই শুরু হয় সম্পর্কের দায়িত্ব, ব্যক্তিগত সীমারেখা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা।

ভালোবাসা কি শুধু কথাতেই প্রকাশ পায়

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরেই পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালে সায়েন্টিফিক রিপোর্টস সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দম্পতিদের মধ্যে ঘরের কাজ ভাগাভাগি এবং তার সঙ্গে সম্পর্কের মানের যোগসূত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের কাজ ভাগাভাগি নিয়ে সঙ্গীরা সন্তুষ্ট থাকলে তা সম্পর্কের সার্বিক সন্তুষ্টির সঙ্গেও ইতিবাচকভাবে যুক্ত থাকতে পারে।

অর্থাৎ, একজন অসুস্থ হলে অন্যজন সাময়িকভাবে কিছু দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া শুধু কাজের চাপ কমানোর বিষয় নয়। এর মাধ্যমে সঙ্গী এটাও উপলব্ধি করতে পারেন যে, কঠিন সময়ে তাঁকে একা সবকিছু সামলাতে হচ্ছে না।

দায়িত্ব ভাগাভাগি হতে পারে ছোট ছোট কাজেও

উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, স্ত্রী প্রতিদিন রান্না করেন। তিনি অসুস্থ হলে সেদিন স্বামী রান্নার দায়িত্ব নিতে পারেন। আবার স্বামী অসুস্থ হলে স্ত্রী তাঁর অফিসের প্রয়োজনীয় কাজগুলো গুছিয়ে দিতে পারেন। দুজনই চাকরিজীবী হলে এবং একজন অসুস্থ হয়ে পড়লে, অন্যজন সেদিন বাজার করা, খাবার আনা কিংবা ঘরের জরুরি কাজগুলো সামলে নিতে পারেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সঙ্গী অসুস্থ হলে পাশে থাকা শুধু ভালোবাসার একটি কথা নয়, বরং এটি একটি বাস্তব আচরণও হতে পারে। এক গ্লাস পানি এগিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে এক দিনের রান্না বা বাজারের দায়িত্ব নেওয়া—এমন ছোট ছোট কাজও তখন অনেক বড় অর্থ বহন করতে পারে।

সব দায়িত্ব কি সমানভাবে ভাগ করতে হবে

আসলে তেমনটা নয়। সম্পর্কে দায়িত্ব ভাগাভাগির কোনো একক সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। একজনের কর্মক্ষেত্রের সময় বেশি হতে পারে, অন্যজনের শারীরিক সক্ষমতা তুলনামূলক কম হতে পারে, আবার পরিবারভেদে পরিস্থিতিও ভিন্ন হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের কাজের ক্ষেত্রে শুধু সময়ের হিসাব নয়, বরং কাজ ভাগাভাগি নিয়ে দুজনের সন্তুষ্টি ও ন্যায্যতার অনুভূতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই একজন অসুস্থ হলে সাময়িকভাবে অন্যজন বেশি দায়িত্ব নিতেই পারেন, আর সুস্থ হয়ে ওঠার পর আবার আগের দায়িত্ব ভাগাভাগিতে ফিরে যাওয়া সম্ভব।

‘আমি আছি’ কথার বাস্তব প্রতিফলন

অসুস্থ সঙ্গীকে ‘চিন্তা কোরো না, আমি আছি’ বলা নিঃসন্দেহে ভালো একটি বিষয়। তবে সেই কথার সঙ্গে বাস্তব সহযোগিতা যুক্ত থাকলে তার অর্থ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যেমন—সঙ্গীকে বিশ্রামে থাকতে দিয়ে নিজে খাবার তৈরি করা, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এনে দেওয়া, ঘরের কাজ সামলে নেওয়া কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের দায়িত্ব নেওয়া।

মনোবিজ্ঞানভিত্তিক সম্পর্ক-আলোচনাতেও পারস্পরিক সমর্থন ও দায়িত্ব ভাগাভাগিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষত দুজনের প্রত্যাশা ও দায়িত্ব নিয়ে আগে থেকে পরিষ্কার বোঝাপড়া থাকলে দৈনন্দিন চাপ সামলানো তুলনামূলক সহজ হয়।

সাহায্য মানেই সবকিছু নিজের হাতে নেওয়া নয়

সঙ্গী অসুস্থ হলে তাঁকে সাহায্য করার অর্থ কখনোই তাঁর মতামত উপেক্ষা করা নয়। বরং তিনি ঠিক কী ধরনের সাহায্য চান, তা জানাও সমান জরুরি। কেউ হয়তো চান সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিতে, আবার কেউ হয়তো হালকা কিছু কাজ করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই সাহায্য করার আগে সঙ্গীর প্রকৃত প্রয়োজনটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।

সবশেষে বলা যায়, প্রশ্নটির সহজ উত্তর হলো-শুধু পাশে থাকাই যথেষ্ট নয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী দায়িত্বও ভাগ করে নেওয়া ভালো। তবে সেই দায়িত্ব কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং সঙ্গীর প্রয়োজন ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই তা ভাগ করে নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্কের সুস্থ ভারসাম্য গড়ে ওঠে পারস্পরিক সম্মতি, সম্মান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টনের মধ্য দিয়েই।