
আম খাওয়ার পর সাধারণত আমরা এর খোসা ফেলে দিই। কিন্তু এই ফেলনা মনে করা আমের খোসাই ঘরের কাজ, ত্বকের যত্ন, এমনকি বাগান পরিচর্যায় দারুণভাবে ব্যবহার করা যায়। শুধু জানতে হবে সঠিক কৌশল।
১. ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক স্ক্রাব
আমের খোসা রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এতে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন ত্বকের জন্য উপকারী হতে পারে। এই গুঁড়ো স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করতে পারে।
২. রান্নাঘরের দুর্গন্ধ দূর করতে
আমের খোসার প্রাকৃতিক সুগন্ধ রান্নাঘরের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করতে পারে। এক বাটি পানিতে আমের খোসা ফুটিয়ে নিন। সেই বাষ্প ঘরে ছড়িয়ে দিলে সতেজতা আসতে পারে। চাইলে এই পানি স্প্রে বোতলে ভরে পরিষ্কার কাজে ব্যবহার করা যায়।
৩. ঘরোয়া আমের খোসার জেলি
ভালোভাবে ধোয়া আমের খোসা অল্প পানিতে ফুটিয়ে নিন। পরে খোসা ফেলে দিয়ে সেই পানিতে চিনি মিশিয়ে ঘন করুন। সামান্য লবণ যোগ করলে স্বাদ বাড়তে পারে। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে ঠান্ডা করে কাচের বয়ামে সংরক্ষণ করা যায়।
৪. প্রাকৃতিক সার হিসেবে ব্যবহার
আমের খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে মাটিতে মিশিয়ে দিলে তা জৈব সার হিসেবে কাজ করতে পারে। চাইলে পানিতে ভিজিয়ে তরল সারও তৈরি করা যায়, যা গাছের জন্য উপকারী হতে পারে।
৫. পোকামাকড় প্রতিরোধে
কুচি করা আমের খোসা টবের মাটিতে দিলে কিছু পোকামাকড় দূরে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়। এতে গাছ কিছুটা সুরক্ষিত থাকতে পারে এবং পরিবেশও পরিচ্ছন্ন থাকে।
আমের খোসা তাই আর ফেলনা নয়—সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি ঘরের কাজে নানা উপকারে আসতে পারে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 

























