ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
‘চোখের সামনে আমার গ্রামটা অদৃশ্য হয়ে গেল’: নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিশ্চিহ্ন জনপদ রদ্রির অভিষেক ম্যাচে বিলবাওকে হারিয়ে বার্সেলোনার টানা দ্বিতীয় জয় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ৫ বছরের শিশুর মৃত্যু আরেকটি বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে উদ্ধার অভিযান স্থগিত আলভারেজকে নিয়ে এখনও আশাবাদী বার্সেলোনা মাগুরা মেডিকেল কলেজের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে মুখরিত ক্যাম্পাস শিবগঞ্জ শ্যামপুরে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান শিবগঞ্জে অটোরিকশার লোভে চালক রুমন হত্যা-গ্রেপ্তার ৩ প্রকৌশলী অধিকার দিবসে বেরোবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন ও মৌন মিছিল অনুষ্ঠিত মেধাবী শিক্ষার্থী ফাতেমা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার অনুদান

আরেকটি বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে উদ্ধার অভিযান স্থগিত

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০১:৩২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৩৬ Time View

ভূমিধসের পর তিব্বতের গিরং এলাকায় তৈরি হওয়া হ্রদ ও আশপাশের এলাকা। ছবি: এএফপি

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যার পর নতুন করে বিপদের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হিমবাহ ধস ও ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপ জমে তৈরি হওয়া একটি প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর ও আশঙ্কায় সীমান্ত এলাকায় নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে নেপাল ও চীনের কর্তৃপক্ষ।

গত দুই দিনে বাঁধটির পেছনে জমে থাকা পানি উপচে পড়তে শুরু করে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের পাহাড়ি ঢল নামার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় উদ্ধারকর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার নেপাল পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, তিব্বতের অংশে পানি আটকে রাখা আরেকটি প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় উদ্ধারকর্মীদের উঁচু ও নিরাপদ এলাকায় অবস্থান নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

চীনের কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, তিব্বত-নেপাল সীমান্তে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার পর তৈরি হওয়া একটি হ্রদ উপচে পড়তে শুরু করেছে। এ কারণে দুর্গত এলাকায় চলমান উদ্ধার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছে।

হ্রদটি তিব্বত সীমান্তের গিরং বাণিজ্যকেন্দ্রের কাছে ভূমিধসের পর তৈরি হয়। সেখানে কতটা পানি জমে রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে উদ্ধারকর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে অন্তত এক কিলোমিটার দূরে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত দুর্গত এলাকা থেকে ৪৯৯ জন চীনা নাগরিক এবং ৫৫৫ জন বিদেশিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার আকস্মিক বন্যায় নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে কয়েক শ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং এখনও প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বসতবাড়ি, সড়ক ও বিভিন্ন অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর মধ্যেই নতুন করে পাহাড়ি ঢল ও প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এদিকে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শুক্রবার তিব্বতের উদ্ধার পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, ওই অঞ্চলে হিমবাহ, ভূমিধসের কারণে তৈরি হওয়া হ্রদ এবং অন্যান্য ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে।

ফলে নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘চোখের সামনে আমার গ্রামটা অদৃশ্য হয়ে গেল’: নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিশ্চিহ্ন জনপদ

আরেকটি বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে উদ্ধার অভিযান স্থগিত

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৩২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যার পর নতুন করে বিপদের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হিমবাহ ধস ও ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপ জমে তৈরি হওয়া একটি প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর ও আশঙ্কায় সীমান্ত এলাকায় নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে নেপাল ও চীনের কর্তৃপক্ষ।

গত দুই দিনে বাঁধটির পেছনে জমে থাকা পানি উপচে পড়তে শুরু করে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের পাহাড়ি ঢল নামার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় উদ্ধারকর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার নেপাল পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, তিব্বতের অংশে পানি আটকে রাখা আরেকটি প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় উদ্ধারকর্মীদের উঁচু ও নিরাপদ এলাকায় অবস্থান নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

চীনের কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, তিব্বত-নেপাল সীমান্তে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার পর তৈরি হওয়া একটি হ্রদ উপচে পড়তে শুরু করেছে। এ কারণে দুর্গত এলাকায় চলমান উদ্ধার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছে।

হ্রদটি তিব্বত সীমান্তের গিরং বাণিজ্যকেন্দ্রের কাছে ভূমিধসের পর তৈরি হয়। সেখানে কতটা পানি জমে রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে উদ্ধারকর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে অন্তত এক কিলোমিটার দূরে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত দুর্গত এলাকা থেকে ৪৯৯ জন চীনা নাগরিক এবং ৫৫৫ জন বিদেশিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার আকস্মিক বন্যায় নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে কয়েক শ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং এখনও প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বসতবাড়ি, সড়ক ও বিভিন্ন অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর মধ্যেই নতুন করে পাহাড়ি ঢল ও প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এদিকে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শুক্রবার তিব্বতের উদ্ধার পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, ওই অঞ্চলে হিমবাহ, ভূমিধসের কারণে তৈরি হওয়া হ্রদ এবং অন্যান্য ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে।

ফলে নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।