ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বিপিএল বাতিলের ক্ষতি পোষাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সিডব্লিউএবি লিবিয়ার তাজুরা বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি হরমুজ প্রণালিতে দুই সুপারট্যাংকারে হামলা, ৯২ ডলার ছাড়াল তেলের দাম গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে পটিয়ার লবণশিল্প, কমেছে শ্রমিকের কর্মঘণ্টা ও আয় আট বছর পর ওসমানী বিমানবন্দরে বিদেশি এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইট সাবেক বিচারপতি-আইনজীবীসহ ৬৫০ জনের জামায়াতে যোগদানের দাবি পে-স্কেলের পর পণ্যের দাম না বাড়ানোর আহ্বান এফবিসিসিআইর রংপুরের চার খুন: জেলগেটে দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শার্শায় দুই শিশুর মৃত্যু, বাবারও মরদেহ উদ্ধার মেসির বিদায়ে বেকহ্যামের আবেগঘন বার্তা, ‘তোমার দৃষ্টান্ত মনে থাকবে’

লিবিয়ার তাজুরা বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১০:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৩২ Time View

লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকার পর দেশে ফিরেছেন ১৭৪ বাংলাদেশি।

লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা আরও ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার ত্রিপোলিভিত্তিক বেসরকারি বিমান সংস্থা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) যৌথভাবে তাঁদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মঙ্গলবারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লিবিয়া সরকারের সহযোগিতা এবং আইওএমের সমন্বয়ে তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট লিবিয়ার বেনগাজিতে আটক আরও ১৭৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, দেশে ফেরা বাংলাদেশিরা বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দেশে ফেরত আসা বেশিরভাগ বাংলাদেশি সমুদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্রলোভন ও সহায়তায় লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। তাঁদের অনেকে লিবিয়ায় বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা। এ সময় লিবিয়ায় তাঁদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করে অবৈধ পথে বিদেশযাত্রার ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।

দেশে ফেরার পর আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে বাড়ি যাওয়ার যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএল বাতিলের ক্ষতি পোষাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সিডব্লিউএবি

লিবিয়ার তাজুরা বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

প্রকাশের সময়ঃ ১০:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা আরও ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার ত্রিপোলিভিত্তিক বেসরকারি বিমান সংস্থা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) যৌথভাবে তাঁদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মঙ্গলবারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লিবিয়া সরকারের সহযোগিতা এবং আইওএমের সমন্বয়ে তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট লিবিয়ার বেনগাজিতে আটক আরও ১৭৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, দেশে ফেরা বাংলাদেশিরা বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দেশে ফেরত আসা বেশিরভাগ বাংলাদেশি সমুদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্রলোভন ও সহায়তায় লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। তাঁদের অনেকে লিবিয়ায় বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা। এ সময় লিবিয়ায় তাঁদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করে অবৈধ পথে বিদেশযাত্রার ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।

দেশে ফেরার পর আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে বাড়ি যাওয়ার যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।