ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু খুলে দেওয়া হলো পুলিশ-সাংবাদিক পরিচয়ে বাসায় ঢুকে চাঁদা দাবি, চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ২ ডুমুরিয়ায় উপজেলা কমপ্লেক্সের পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার দুর্নীতির মামলায় সাবেক স্বাস্থ্য ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য ৪ অক্টোবর তনু হত্যা: দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ গাইবান্ধায় ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু বহুল প্রতীক্ষিত এল ক্লাসিকো ২৬ অক্টোবর, মুখোমুখি বার্সা-রিয়াল ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে: সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

পে-স্কেলের পর পণ্যের দাম না বাড়ানোর আহ্বান এফবিসিসিআইর

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৪১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৪০ Time View

নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এফবিসিসিআইর মতবিনিময় সভা।

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের পর এর প্রভাব দেখিয়ে যেন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো না হয়, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। সংগঠনটির প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেছেন, পে-স্কেলের সঙ্গে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।

মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে নিত্যপণ্যের মজুদ, সরবরাহ, আমদানি ও বাজারমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা উঠে আসে। সভায় নিত্যপণ্যের আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।

সভায় এফবিসিসিআইর প্রশাসক বলেন, পে-স্কেল অনুমোদনের পর নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব হচ্ছে ভোক্তাদের আশ্বস্ত করা এবং কোনো অজুহাতে পণ্যের দাম না বাড়ানো।

তিনি জানান, সভায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন মতামত ও সমস্যার বিষয়গুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরা হবে।

সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি

মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা বাজারে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান। শ্যামবাজার কৃষিপণ্য আড়ৎ মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরিদ উদ্দিন অভিযোগ করেন, করপোরেট পর্যায়ে প্যাকেটজাত পণ্যের দামে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজির চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এতে ব্যবসার ব্যয় বাড়ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, গত দুই সপ্তাহে ময়দার বস্তাপ্রতি দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। একই সময়ে তেল, চিনি ও ময়দার মূল্যবৃদ্ধিতে বেকারি খাত চাপের মুখে পড়েছে। তার দাবি, গত ছয় মাসে অন্তত ২০টি বেকারি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি জানান, কাঁচামালের দাম না কমলে পাউরুটি ও বিস্কুটজাতীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ

সভায় ব্যবসায়ীরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ ভোজ্যতেল পাইকারি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা বলেন, গ্যাসের ঘাটতির কারণে নিত্যপণ্যের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বাজারে পণ্যের ঘাটতি তৈরি হয়ে দাম বাড়তে পারে।

সুপার মার্কেট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনও একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তার মতে, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বিভিন্ন কারখানার উৎপাদন কমে যাচ্ছে। ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহও কমছে।

বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল হাসেম বলেন, কয়েকটি কোম্পানি উৎপাদন কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে বাজারে পণ্যের সরবরাহ ও দামে পড়ছে।

এলসি জটিলতা নিরসনের তাগিদ

নিত্যপণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলার জটিলতা দ্রুত সমাধানের দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিত সাহা বলেন, ব্যাংকগুলোতে নিত্যপণ্যের আমদানির জন্য এলসি খোলার বিষয়টি তদারকি করা প্রয়োজন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এলসি খোলা না গেলে আগামী রমজানে কিছু পণ্যের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

টি.কে গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক সফিউল আথহার তাছলিম বলেন, দেশের চাহিদার বড় একটি অংশ চিনি, ভোজ্যতেল ও গম আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এসব পণ্যের নিয়মিত আমদানি নিশ্চিত না হলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে।

তিনি নিত্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার, উৎসদেশের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বিভিন্ন পণ্যের দাম নিয়েও আলোচনা

সভায় ডাল, চাল, তেল, চিনি, ময়দা ও সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীরা কথা বলেন। নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক সোহেল আক্তার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে দেশীয় খেসারি ডালের দাম কম থাকায় কৃষকরা উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

কারওয়ান বাজারের পাকা মার্কেট আড়ৎ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান বলেন, নির্ধারিত আড়তের বাইরে বিভিন্ন স্থানে কাঁচামাল কেনাবেচা হওয়ায় বাজার ব্যবস্থাপনায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

সভায় ব্যবসায়ীরা সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে উৎপাদন বাড়ানো, আমদানি স্বাভাবিক রাখা, এলসি জটিলতা দূর করা, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

পে-স্কেলের পর পণ্যের দাম না বাড়ানোর আহ্বান এফবিসিসিআইর

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৪১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের পর এর প্রভাব দেখিয়ে যেন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো না হয়, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। সংগঠনটির প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেছেন, পে-স্কেলের সঙ্গে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।

মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে নিত্যপণ্যের মজুদ, সরবরাহ, আমদানি ও বাজারমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা উঠে আসে। সভায় নিত্যপণ্যের আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।

সভায় এফবিসিসিআইর প্রশাসক বলেন, পে-স্কেল অনুমোদনের পর নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব হচ্ছে ভোক্তাদের আশ্বস্ত করা এবং কোনো অজুহাতে পণ্যের দাম না বাড়ানো।

তিনি জানান, সভায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন মতামত ও সমস্যার বিষয়গুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরা হবে।

সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি

মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা বাজারে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান। শ্যামবাজার কৃষিপণ্য আড়ৎ মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরিদ উদ্দিন অভিযোগ করেন, করপোরেট পর্যায়ে প্যাকেটজাত পণ্যের দামে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজির চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এতে ব্যবসার ব্যয় বাড়ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, গত দুই সপ্তাহে ময়দার বস্তাপ্রতি দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। একই সময়ে তেল, চিনি ও ময়দার মূল্যবৃদ্ধিতে বেকারি খাত চাপের মুখে পড়েছে। তার দাবি, গত ছয় মাসে অন্তত ২০টি বেকারি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি জানান, কাঁচামালের দাম না কমলে পাউরুটি ও বিস্কুটজাতীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ

সভায় ব্যবসায়ীরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ ভোজ্যতেল পাইকারি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা বলেন, গ্যাসের ঘাটতির কারণে নিত্যপণ্যের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বাজারে পণ্যের ঘাটতি তৈরি হয়ে দাম বাড়তে পারে।

সুপার মার্কেট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনও একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তার মতে, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বিভিন্ন কারখানার উৎপাদন কমে যাচ্ছে। ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহও কমছে।

বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল হাসেম বলেন, কয়েকটি কোম্পানি উৎপাদন কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে বাজারে পণ্যের সরবরাহ ও দামে পড়ছে।

এলসি জটিলতা নিরসনের তাগিদ

নিত্যপণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলার জটিলতা দ্রুত সমাধানের দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিত সাহা বলেন, ব্যাংকগুলোতে নিত্যপণ্যের আমদানির জন্য এলসি খোলার বিষয়টি তদারকি করা প্রয়োজন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এলসি খোলা না গেলে আগামী রমজানে কিছু পণ্যের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

টি.কে গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক সফিউল আথহার তাছলিম বলেন, দেশের চাহিদার বড় একটি অংশ চিনি, ভোজ্যতেল ও গম আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এসব পণ্যের নিয়মিত আমদানি নিশ্চিত না হলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে।

তিনি নিত্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার, উৎসদেশের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বিভিন্ন পণ্যের দাম নিয়েও আলোচনা

সভায় ডাল, চাল, তেল, চিনি, ময়দা ও সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীরা কথা বলেন। নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক সোহেল আক্তার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে দেশীয় খেসারি ডালের দাম কম থাকায় কৃষকরা উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

কারওয়ান বাজারের পাকা মার্কেট আড়ৎ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান বলেন, নির্ধারিত আড়তের বাইরে বিভিন্ন স্থানে কাঁচামাল কেনাবেচা হওয়ায় বাজার ব্যবস্থাপনায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

সভায় ব্যবসায়ীরা সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে উৎপাদন বাড়ানো, আমদানি স্বাভাবিক রাখা, এলসি জটিলতা দূর করা, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেন।