
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজে ২৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে গোপনীয় দর ফাঁস এবং ঠিকাদারদের মধ্যে সিন্ডিকেট গঠন।
মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে এনসিটিবি কার্যালয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের এনফোর্সমেন্ট দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
দুদকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পাঠ্যবই ছাপার কাজে দর ফাঁস, সিন্ডিকেট এবং প্রায় ২৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান। অভিযোগ যাচাইয়ের অংশ হিসেবে দুদকের দল এনসিটিবি থেকে প্রাথমিক প্রাক্কলনের কপি, দাপ্তরিক মূল্য তালিকা এবং ৪২৩তম বোর্ডসভার কার্যবিবরণীসহ বিভিন্ন নথি সংগ্রহ করেছে। এসব নথি বিস্তারিত যাচাই করে কমিশনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
দরপত্র নিয়ে আলোচনার মধ্যেই অভিযান
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার দরপত্রে প্রাক্কলিত মূল্য ফাঁস, পরে সেই মূল্য বাড়ানো এবং ঠিকাদারদের মধ্যে কাজ ভাগাভাগির অভিযোগ নিয়ে আলোচনা চলছিল। এমন সময়েই দুদক এ অভিযান চালাল।
এনসিটিবির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বই ছাপার জন্য গত জুনের শুরু থেকে ধাপে ধাপে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২ জুন প্রকাশ হয় প্রাক-প্রাথমিক ও ইবতেদায়ির বইয়ের দরপত্র। প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির দরপত্র প্রকাশ হয় ৩ জুন, ষষ্ঠ শ্রেণির ৭ জুন এবং সপ্তম শ্রেণির ৯ জুন।
দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়েছে, ঠিকাদারদের একটি অংশ এনসিটিবির প্রাক্কলিত দর আগেই জেনে যায়। পরে সেই দর বাড়ানোর দাবি ওঠে। সে অনুযায়ী, মুদ্রণশিল্পের ৭৫ জন মালিক প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর আবেদন করেন।
অধিকার ডেস্কঃ 





















