ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক ‘অপলক’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজীব, জুটি হচ্ছেন নিশো-মেহজাবীন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন বই, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা, ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব কি কমছে? খাদ্য অপচয় কমাতে সব মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান পোশাকশ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকারের প্রতি শফিকুর রহমানের আহ্বান চট্টগ্রামে শ্রমিক হত্যা ও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মশাল মিছিল টেস্ট বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতি তাইজুল ও মিরাজের

তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত ৩২

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৮:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৬৬ Time View

তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ চলছে। সংগৃহীত ছবি

চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। উপকেন্দ্রের কাছাকাছি কয়েকটি গ্রামে বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া নগকু শহরের জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর বরাত দিয়ে জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর। বাকি ২১ জন সামান্য আহত হয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, উপকেন্দ্রের কাছের একটি গ্রামে অন্তত দুজন আহত ব্যক্তিকে পাওয়া গেছে। আশপাশের কয়েকটি গ্রামের কিছু বাড়ির দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উপকেন্দ্র ছিল উত্তর তিব্বতের নগকু অঞ্চলের স্বল্প জনবসতিপূর্ণ একটি উচ্চভূমির জেলায়। ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর উৎপত্তিস্থল। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের (সিইএনসি) তথ্যমতে, উপকেন্দ্রের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে ভূমির গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার।

কম্পনের পর স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে কাউকে কাউকে রাস্তার পাশে দাঁড়ানো গাড়িতে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে। এক বাসিন্দা জানান, শক্তিশালী কম্পনে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। তখন বাড়ি কেঁপে ওঠার সঙ্গে কড়কড় শব্দও শুনতে পান তিনি।

তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে। সিইএনসি জানিয়েছে, স্থানীয় এলাকায় কম্পন বেশ জোরালোভাবে অনুভূত হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালাতে স্থানীয় দমকল বাহিনী ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। ভূমিকম্পের পর আশপাশের এলাকায় ৩ ও ৪ মাত্রার বেশ কয়েকটি পরাঘাতও রেকর্ড করা হয়েছে।

সিনহুয়া জানিয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চীনে এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

এর আগে ২০১০ সালে প্রতিবেশী কিংহাই প্রদেশের ইউশুতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ২ হাজার ৬৯৮ জন প্রাণ হারান। ওই ঘটনায় প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজ ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক

তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত ৩২

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। উপকেন্দ্রের কাছাকাছি কয়েকটি গ্রামে বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া নগকু শহরের জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর বরাত দিয়ে জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর। বাকি ২১ জন সামান্য আহত হয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, উপকেন্দ্রের কাছের একটি গ্রামে অন্তত দুজন আহত ব্যক্তিকে পাওয়া গেছে। আশপাশের কয়েকটি গ্রামের কিছু বাড়ির দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উপকেন্দ্র ছিল উত্তর তিব্বতের নগকু অঞ্চলের স্বল্প জনবসতিপূর্ণ একটি উচ্চভূমির জেলায়। ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর উৎপত্তিস্থল। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের (সিইএনসি) তথ্যমতে, উপকেন্দ্রের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে ভূমির গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার।

কম্পনের পর স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে কাউকে কাউকে রাস্তার পাশে দাঁড়ানো গাড়িতে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে। এক বাসিন্দা জানান, শক্তিশালী কম্পনে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। তখন বাড়ি কেঁপে ওঠার সঙ্গে কড়কড় শব্দও শুনতে পান তিনি।

তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে। সিইএনসি জানিয়েছে, স্থানীয় এলাকায় কম্পন বেশ জোরালোভাবে অনুভূত হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালাতে স্থানীয় দমকল বাহিনী ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। ভূমিকম্পের পর আশপাশের এলাকায় ৩ ও ৪ মাত্রার বেশ কয়েকটি পরাঘাতও রেকর্ড করা হয়েছে।

সিনহুয়া জানিয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চীনে এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

এর আগে ২০১০ সালে প্রতিবেশী কিংহাই প্রদেশের ইউশুতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ২ হাজার ৬৯৮ জন প্রাণ হারান। ওই ঘটনায় প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজ ছিলেন।