ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ তাহসিফ হত্যা মামলা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১

মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০১:৫০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৮ Time View

মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

রাজধানীর মিরপুরে টানা তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক দল ও বিশেষ মহল অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মিরপুর এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন। আন্দোলনস্থলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সদস্যদের উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, যারা আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পদধারী নেতা বলে দাবি করেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘রাজনৈতিক ইস্যু তৈরি করবে, তা হবে না। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে ডিসেম্বরে আপাকে (শেখ হাসিনা) নিয়ে আসার চেষ্টা করবে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে—তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কোনো ধরনের অরাজকতা করতে আমরা দেব না।’

মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ

এদিকে মঙ্গলবার সকালে মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ জানায়, আন্দোলনস্থলে প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার শ্রমিক অবস্থান করছিলেন। তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে পুলিশ অভিযান শুরু করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যে আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা প্রয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ

মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৫০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরে টানা তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক দল ও বিশেষ মহল অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মিরপুর এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন। আন্দোলনস্থলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সদস্যদের উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, যারা আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পদধারী নেতা বলে দাবি করেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘রাজনৈতিক ইস্যু তৈরি করবে, তা হবে না। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে ডিসেম্বরে আপাকে (শেখ হাসিনা) নিয়ে আসার চেষ্টা করবে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে—তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কোনো ধরনের অরাজকতা করতে আমরা দেব না।’

মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ

এদিকে মঙ্গলবার সকালে মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ জানায়, আন্দোলনস্থলে প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার শ্রমিক অবস্থান করছিলেন। তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে পুলিশ অভিযান শুরু করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যে আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা প্রয়োজন।