ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

সংসদ সচিবালয়ের কেনাকাটায় দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদন জমা

জাতীয় সংসদ ভবন। সংগৃহীত ছবি।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ক্যামেরা ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম কেনাকাটায় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) পাঁচ সদস্যের এ কমিটির প্রতিবেদন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে জমা দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান জানান, আলোচিত কেনাকাটার ক্ষেত্রে ‘হরিলুট’ বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তথ্য-প্রমাণে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং মো. সাইফুল আলম।

উল্লেখ্য, গত ১৯ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট’ শিরোনামের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্তে কমিটি জানায়, সংশ্লিষ্ট সংবাদে উপস্থাপিত কিছু তথ্য ও বাজারমূল্যের হিসাবের মধ্যে অসঙ্গতি ছিল। এমনকি প্রতিবেদক নিজেও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে ‘টাইপিং ভুল’ থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সংসদ সচিবালয় মোট ১২টি আইটেমের সরঞ্জাম সরকারি ক্রয়বিধি (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস) অনুসরণ করেই সংগ্রহ করেছে। ক্যামেরা, লেন্স ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামের মূল্য নির্ধারণও নিয়ম মেনেই করা হয়েছে বলে কমিটি উল্লেখ করে।

বিশেষ করে লেন্সের মূল্য নিয়ে যে বড় ধরনের অভিযোগ ওঠে, সেটিকে ‘তথ্যগত বিভ্রান্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিটি। সংবাদে একটি ২৪-৭০ এমএম লেন্সের দাম ৩৭ লাখ টাকার বেশি উল্লেখ করা হলেও তদন্তে দেখা যায়, তিনটি লেন্সের মোট ক্রয়মূল্য ছিল ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা, অর্থাৎ প্রতিটির দাম প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

কমিটির সঙ্গে আলাপচারিতায় সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক এই ভুলটিকে অনিচ্ছাকৃত ‘টাইপিং মিসটেক’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং তা সংশোধনের আশ্বাস দেন।

এদিকে সংশ্লিষ্ট পত্রিকাও তাদের ৩০ এপ্রিলের প্রিন্ট সংস্করণে ভুল তথ্য প্রকাশের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়েছে, সংসদ সচিবালয়ের কেনাকাটায় কোনো আর্থিক দুর্নীতি পাওয়া যায়নি। তবে কিছু পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা বা বিচ্যুতি ছিল, যা ভবিষ্যতে সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেদনে ‘হরিলুট’ শব্দের ব্যবহারকে অতিরঞ্জিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছে তদন্ত কমিটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

সংসদ সচিবালয়ের কেনাকাটায় দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদন জমা

প্রকাশের সময়ঃ ১০:১৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ক্যামেরা ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম কেনাকাটায় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) পাঁচ সদস্যের এ কমিটির প্রতিবেদন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে জমা দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান জানান, আলোচিত কেনাকাটার ক্ষেত্রে ‘হরিলুট’ বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তথ্য-প্রমাণে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং মো. সাইফুল আলম।

উল্লেখ্য, গত ১৯ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট’ শিরোনামের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্তে কমিটি জানায়, সংশ্লিষ্ট সংবাদে উপস্থাপিত কিছু তথ্য ও বাজারমূল্যের হিসাবের মধ্যে অসঙ্গতি ছিল। এমনকি প্রতিবেদক নিজেও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে ‘টাইপিং ভুল’ থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সংসদ সচিবালয় মোট ১২টি আইটেমের সরঞ্জাম সরকারি ক্রয়বিধি (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস) অনুসরণ করেই সংগ্রহ করেছে। ক্যামেরা, লেন্স ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামের মূল্য নির্ধারণও নিয়ম মেনেই করা হয়েছে বলে কমিটি উল্লেখ করে।

বিশেষ করে লেন্সের মূল্য নিয়ে যে বড় ধরনের অভিযোগ ওঠে, সেটিকে ‘তথ্যগত বিভ্রান্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিটি। সংবাদে একটি ২৪-৭০ এমএম লেন্সের দাম ৩৭ লাখ টাকার বেশি উল্লেখ করা হলেও তদন্তে দেখা যায়, তিনটি লেন্সের মোট ক্রয়মূল্য ছিল ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা, অর্থাৎ প্রতিটির দাম প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

কমিটির সঙ্গে আলাপচারিতায় সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক এই ভুলটিকে অনিচ্ছাকৃত ‘টাইপিং মিসটেক’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং তা সংশোধনের আশ্বাস দেন।

এদিকে সংশ্লিষ্ট পত্রিকাও তাদের ৩০ এপ্রিলের প্রিন্ট সংস্করণে ভুল তথ্য প্রকাশের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়েছে, সংসদ সচিবালয়ের কেনাকাটায় কোনো আর্থিক দুর্নীতি পাওয়া যায়নি। তবে কিছু পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা বা বিচ্যুতি ছিল, যা ভবিষ্যতে সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেদনে ‘হরিলুট’ শব্দের ব্যবহারকে অতিরঞ্জিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছে তদন্ত কমিটি।