
কৃষি, পুষ্টি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং জলবায়ু সহনশীল গ্রামীণ উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) Program on Agricultural and Rural Transformation for Nutrition, Entrepreneurship and Resilience (PARTNER) in Bangladesh শীর্ষক প্রোগ্রামের আওতায় তিন দিনব্যাপী স্টাফ প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজশাহীতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও পার্টনার প্রোগ্রামের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট ডিরেক্টর (এপিডি) ড. মো. আবুল কাসেম।
তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে বিএমডিএ’র রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন রিজিয়ন ও জোন থেকে আগত ২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে প্রকল্প বাস্তবায়ন দক্ষতা, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা, মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের গুণগত মান বৃদ্ধি, তথ্য ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়মূলক কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. আবুল কাসেম বলেন, দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকল্পের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএ’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নাজিরুল ইসলাম ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জিন্নুরাইন খান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী ও সচিব এনামুল কাদির, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান, মনিটরিং কর্মকর্তা এ.এস.এম. শক্তিয়ার জাহান, কম্পিউটার অপারেটর মোসা. নাদিরা খাতুনসহ বিএমডিএ’র অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে প্রধান অতিথি ড. মো. আবুল কাসেম প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতে সনদপত্র তুলে দেন। সনদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন, পুষ্টি নিরাপত্তা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও টেকসই গ্রামীণ উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, PARTNER in Bangladesh প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, পুষ্টি সংবেদনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সৈয়দ মাসুদ,রাজশাহী 























