ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন জাতীয় পদক অর্জনকারী ফজলে রাব্বীকে নলডাঙ্গায় সংবর্ধনা ময়মনসিংহের ১৩ উপজেলায় ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’ সারের কোনো সংকট নেই দেশে , সমস্যা বিতরণে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গরমে ঠান্ডা স্বস্তি, ঘরেই সহজে বানান সুস্বাদু ডাবের পুডিং ফিফার সব নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলবদলে ফিরল বসুন্ধরা কিংস একসঙ্গে নিভল পাঁচ শিশুর প্রাণের প্রদীপ- পাশাপাশি কবরে শায়িত যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে আটক রংপুরে ৪ খুন-গাফিলতির কোন সুযোগ নেই, আশ্বাস নতুন পুলিশ কমিশনারের নেপালের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন- দেশে ফিরে অপু বিশ্বাস

ময়মনসিংহের ১৩ উপজেলায় ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’

ময়মনসিংহে ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

শফিয়েল আলম সুমন, ময়মনসিংহ

বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবাদী ও উদ্ভাবনী প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ১৩টি উপজেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’।

শনিবার (২৯ আগস্ট) জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান, কৌতূহল ও সৃজনশীলতার মিলনমেলায় পরিণত হয় প্রতিযোগিতাটি।

আয়োজনটি শুধু একটি প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাভাবনা, যুক্তি প্রয়োগ, নতুন কিছু জানার আগ্রহ এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও এটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের ভেন্যু ছিল প্রিমিয়ার আইডিয়াল স্কুল। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হোরায়রা এবং প্রিমিয়ার আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. চাঁন মিয়াসহ অন্যরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন ও ভাবনা শোনেন এবং বিজ্ঞানচর্চায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবাদী, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী চিন্তায় সমৃদ্ধ হতে হবে। শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণা, অনুসন্ধান ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহী হয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

এবারের ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’-এর একটি বিশেষ দিক ছিল বিজ্ঞানচর্চার সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি যুক্ত করা। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়।

এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরির বার্তা দেওয়া হয়েছে।

একদিকে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ, অন্যদিকে হাতে একটি সবুজ চারাগাছ—এই দুই প্রতীকী বিষয় নতুন প্রজন্মের সামনে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের একটি সমন্বিত স্বপ্ন তুলে ধরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আয়োজকদের মতে, প্রযুক্তি ও শিল্পের অগ্রগতির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা না গেলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ কারণে শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ছিল ব্যাপক কৌতূহল, উদ্দীপনা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা স্বপ্ন। বিজ্ঞানকে কঠিন কোনো বিষয় হিসেবে না দেখে দৈনন্দিন জীবন ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি করেছে এ আয়োজন।

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, মহাকাশ গবেষণা, পরিবেশ বিজ্ঞান, জৈবপ্রযুক্তিসহ আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ময়মনসিংহের ১৩টি উপজেলায় একই দিনে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড আয়োজনের মাধ্যমে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদেরও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে শহরকেন্দ্রিক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রও আরও বিস্তৃত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো, তাদের প্রতিভা চিহ্নিত করা এবং ভবিষ্যতে গবেষণামুখী করে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে হওয়া প্রয়োজন।

সমাপনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে জ্ঞান, যুক্তি ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একটি বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া চারাগাছগুলো ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠবে। সেই চারাগাছের মতোই তাদের মনে বিজ্ঞানচর্চা, যুক্তিবোধ, সৃজনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার বীজ আরও বিকশিত হবে—এমন প্রত্যাশাই বহন করছে ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’।

বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম ও সবুজ ভবিষ্যৎ—এই দুই লক্ষ্যকে একসঙ্গে ধারণ করে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আয়োজনটি তাই শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণে নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করার একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন

ময়মনসিংহের ১৩ উপজেলায় ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’

প্রকাশের সময়ঃ ১১:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

শফিয়েল আলম সুমন, ময়মনসিংহ

বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবাদী ও উদ্ভাবনী প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ১৩টি উপজেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’।

শনিবার (২৯ আগস্ট) জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান, কৌতূহল ও সৃজনশীলতার মিলনমেলায় পরিণত হয় প্রতিযোগিতাটি।

আয়োজনটি শুধু একটি প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাভাবনা, যুক্তি প্রয়োগ, নতুন কিছু জানার আগ্রহ এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও এটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের ভেন্যু ছিল প্রিমিয়ার আইডিয়াল স্কুল। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হোরায়রা এবং প্রিমিয়ার আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. চাঁন মিয়াসহ অন্যরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন ও ভাবনা শোনেন এবং বিজ্ঞানচর্চায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবাদী, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী চিন্তায় সমৃদ্ধ হতে হবে। শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণা, অনুসন্ধান ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহী হয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

এবারের ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’-এর একটি বিশেষ দিক ছিল বিজ্ঞানচর্চার সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি যুক্ত করা। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়।

এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরির বার্তা দেওয়া হয়েছে।

একদিকে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ, অন্যদিকে হাতে একটি সবুজ চারাগাছ—এই দুই প্রতীকী বিষয় নতুন প্রজন্মের সামনে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের একটি সমন্বিত স্বপ্ন তুলে ধরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আয়োজকদের মতে, প্রযুক্তি ও শিল্পের অগ্রগতির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা না গেলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ কারণে শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ছিল ব্যাপক কৌতূহল, উদ্দীপনা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা স্বপ্ন। বিজ্ঞানকে কঠিন কোনো বিষয় হিসেবে না দেখে দৈনন্দিন জীবন ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি করেছে এ আয়োজন।

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, মহাকাশ গবেষণা, পরিবেশ বিজ্ঞান, জৈবপ্রযুক্তিসহ আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ময়মনসিংহের ১৩টি উপজেলায় একই দিনে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড আয়োজনের মাধ্যমে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদেরও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে শহরকেন্দ্রিক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রও আরও বিস্তৃত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো, তাদের প্রতিভা চিহ্নিত করা এবং ভবিষ্যতে গবেষণামুখী করে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে হওয়া প্রয়োজন।

সমাপনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে জ্ঞান, যুক্তি ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একটি বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া চারাগাছগুলো ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠবে। সেই চারাগাছের মতোই তাদের মনে বিজ্ঞানচর্চা, যুক্তিবোধ, সৃজনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার বীজ আরও বিকশিত হবে—এমন প্রত্যাশাই বহন করছে ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’।

বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম ও সবুজ ভবিষ্যৎ—এই দুই লক্ষ্যকে একসঙ্গে ধারণ করে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আয়োজনটি তাই শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণে নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করার একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ।