ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

শহীদ ওসমান হাদির সমাধিস্তম্ভ লিপিতে যা লেখা আছে

সংগৃহীত ছবি।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্সে থাকা জাতীয় ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দাফনের আগে হাদিকে শেষবারের মতো বিদায় জানানো হয়। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন সেখানে উপস্থিত সবাই।

জুলাই বিপ্লবের এই অগ্রনায়কে দাফন করার পর তার সমাধির ওপর সমাধিস্তম্ভ লিপি লেখা হয়। লিপিতে লেখা হয়, ‘আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। (১৯৯৩-২০২৫)। শাহাদাতঃ ১৮ ডিসেম্বর-২০২৫।’

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে ওসমান বিন হাদির লাশ দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আনা হয়। এ সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। উপস্থিত সহযোদ্ধাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। লাশবাহী গাড়ির পেছনে পেছনে ছুটতে থাকে মানুষ। সহযোদ্ধাদের কেউ কেউ গাড়ির ওপরে উঠে বসেন।

দুপুর আড়াইটায় জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় শহীদ হাদির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এই জুলাই বিপ্লবীর লাশ এসে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অনেক সহযোদ্ধা তথা জুলাইয়ের প্রথম সারির বিপ্লবী।

মাত্র ৩৪ বছর বয়সী এই বিপ্লবীর লাশ কবরে নামান মাহমুদুর রহমান, সাদিক কায়েম, হাসনাত আবদুল্লাহসহ অন্যরা। এ সময় আরেকবার কান্নার রোল পড়ে যায়। সবাই অশ্রুসিক্ত নয়ন আর ভগ্ন হৃদয়ে শহীদ হাদির লাশ কবরে রাখেন।

দাফন শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন শহীদ শরীফ ওসমান হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এ দফায় হাদির ভক্তদের কান্নায় ভারি হয়ে যায় ঢাবির পরিবেশ। কাঁদতে কাঁদতে প্রিয় সহযোদ্ধার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন উপস্থিত জনতা। মনে হয়, সবাই যেন তাদের পরমাত্মীয়কে হারিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

শহীদ ওসমান হাদির সমাধিস্তম্ভ লিপিতে যা লেখা আছে

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্সে থাকা জাতীয় ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দাফনের আগে হাদিকে শেষবারের মতো বিদায় জানানো হয়। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন সেখানে উপস্থিত সবাই।

জুলাই বিপ্লবের এই অগ্রনায়কে দাফন করার পর তার সমাধির ওপর সমাধিস্তম্ভ লিপি লেখা হয়। লিপিতে লেখা হয়, ‘আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। (১৯৯৩-২০২৫)। শাহাদাতঃ ১৮ ডিসেম্বর-২০২৫।’

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে ওসমান বিন হাদির লাশ দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আনা হয়। এ সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। উপস্থিত সহযোদ্ধাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। লাশবাহী গাড়ির পেছনে পেছনে ছুটতে থাকে মানুষ। সহযোদ্ধাদের কেউ কেউ গাড়ির ওপরে উঠে বসেন।

দুপুর আড়াইটায় জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় শহীদ হাদির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এই জুলাই বিপ্লবীর লাশ এসে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অনেক সহযোদ্ধা তথা জুলাইয়ের প্রথম সারির বিপ্লবী।

মাত্র ৩৪ বছর বয়সী এই বিপ্লবীর লাশ কবরে নামান মাহমুদুর রহমান, সাদিক কায়েম, হাসনাত আবদুল্লাহসহ অন্যরা। এ সময় আরেকবার কান্নার রোল পড়ে যায়। সবাই অশ্রুসিক্ত নয়ন আর ভগ্ন হৃদয়ে শহীদ হাদির লাশ কবরে রাখেন।

দাফন শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন শহীদ শরীফ ওসমান হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এ দফায় হাদির ভক্তদের কান্নায় ভারি হয়ে যায় ঢাবির পরিবেশ। কাঁদতে কাঁদতে প্রিয় সহযোদ্ধার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন উপস্থিত জনতা। মনে হয়, সবাই যেন তাদের পরমাত্মীয়কে হারিয়েছেন।