ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
জামালপুরে চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন রাজপথ থেকে বঙ্গভবনে, ২৫৫ ভোটে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত মির্জা ফখরুল পাগলা নদীতে গোসলে নেমে ডুবে গেল এইচএসসি পরীক্ষার্থী শামিমের প্রাণ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় ১৭ বছর ধরে নিজের চুল নিজেই কাটেন বেরোবির মুজাহিদুল নোবিপ্রবির শিক্ষা প্রশাসন বিভাগে ফুটবল দিয়ে শুরু খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ পদোন্নতির পর ১১২ উপসচিবকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পদায়ন কলকাতা ও লন্ডনের ঘটনায় ১০ বাংলাদেশির প্রাণহানিতে- জামায়াতের শোক বাস কাউন্টারে যাত্রী ওঠানো নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ-আহত অন্তত ১০ বিদায়ী বক্তব্যে আবেগঘন মির্জা ফখরুল, দলীয় এমপিদের কাছে চাইলেন দোয়া ও সমর্থন

শহীদ ওসমান হাদির সমাধিস্তম্ভ লিপিতে যা লেখা আছে

সংগৃহীত ছবি।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্সে থাকা জাতীয় ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দাফনের আগে হাদিকে শেষবারের মতো বিদায় জানানো হয়। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন সেখানে উপস্থিত সবাই।

জুলাই বিপ্লবের এই অগ্রনায়কে দাফন করার পর তার সমাধির ওপর সমাধিস্তম্ভ লিপি লেখা হয়। লিপিতে লেখা হয়, ‘আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। (১৯৯৩-২০২৫)। শাহাদাতঃ ১৮ ডিসেম্বর-২০২৫।’

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে ওসমান বিন হাদির লাশ দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আনা হয়। এ সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। উপস্থিত সহযোদ্ধাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। লাশবাহী গাড়ির পেছনে পেছনে ছুটতে থাকে মানুষ। সহযোদ্ধাদের কেউ কেউ গাড়ির ওপরে উঠে বসেন।

দুপুর আড়াইটায় জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় শহীদ হাদির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এই জুলাই বিপ্লবীর লাশ এসে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অনেক সহযোদ্ধা তথা জুলাইয়ের প্রথম সারির বিপ্লবী।

মাত্র ৩৪ বছর বয়সী এই বিপ্লবীর লাশ কবরে নামান মাহমুদুর রহমান, সাদিক কায়েম, হাসনাত আবদুল্লাহসহ অন্যরা। এ সময় আরেকবার কান্নার রোল পড়ে যায়। সবাই অশ্রুসিক্ত নয়ন আর ভগ্ন হৃদয়ে শহীদ হাদির লাশ কবরে রাখেন।

দাফন শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন শহীদ শরীফ ওসমান হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এ দফায় হাদির ভক্তদের কান্নায় ভারি হয়ে যায় ঢাবির পরিবেশ। কাঁদতে কাঁদতে প্রিয় সহযোদ্ধার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন উপস্থিত জনতা। মনে হয়, সবাই যেন তাদের পরমাত্মীয়কে হারিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন

শহীদ ওসমান হাদির সমাধিস্তম্ভ লিপিতে যা লেখা আছে

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্সে থাকা জাতীয় ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দাফনের আগে হাদিকে শেষবারের মতো বিদায় জানানো হয়। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন সেখানে উপস্থিত সবাই।

জুলাই বিপ্লবের এই অগ্রনায়কে দাফন করার পর তার সমাধির ওপর সমাধিস্তম্ভ লিপি লেখা হয়। লিপিতে লেখা হয়, ‘আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। (১৯৯৩-২০২৫)। শাহাদাতঃ ১৮ ডিসেম্বর-২০২৫।’

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে ওসমান বিন হাদির লাশ দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আনা হয়। এ সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। উপস্থিত সহযোদ্ধাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। লাশবাহী গাড়ির পেছনে পেছনে ছুটতে থাকে মানুষ। সহযোদ্ধাদের কেউ কেউ গাড়ির ওপরে উঠে বসেন।

দুপুর আড়াইটায় জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় শহীদ হাদির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এই জুলাই বিপ্লবীর লাশ এসে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অনেক সহযোদ্ধা তথা জুলাইয়ের প্রথম সারির বিপ্লবী।

মাত্র ৩৪ বছর বয়সী এই বিপ্লবীর লাশ কবরে নামান মাহমুদুর রহমান, সাদিক কায়েম, হাসনাত আবদুল্লাহসহ অন্যরা। এ সময় আরেকবার কান্নার রোল পড়ে যায়। সবাই অশ্রুসিক্ত নয়ন আর ভগ্ন হৃদয়ে শহীদ হাদির লাশ কবরে রাখেন।

দাফন শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন শহীদ শরীফ ওসমান হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এ দফায় হাদির ভক্তদের কান্নায় ভারি হয়ে যায় ঢাবির পরিবেশ। কাঁদতে কাঁদতে প্রিয় সহযোদ্ধার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন উপস্থিত জনতা। মনে হয়, সবাই যেন তাদের পরমাত্মীয়কে হারিয়েছেন।