ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

বিএনপির ৩ শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ঢাকা-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কোন্ডা ইউনিয়নে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে তাদের বরণ করেন ঢাকা-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম।

জামায়াতে যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছেন কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ইসাকুর রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি বাহাউদ্দিন, যুবদলের সাবেক সদস্য আব্দুল খালেক, শ্রমিকদলের নেতা আতাউর রহমান এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা হাজী আনোয়ার হোসেন ফালান।

জামায়াতে যোগদানের বিষয়ে সাবেক যুবদল নেতা ইসাকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবার রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। একাধিক মামলার আসামি হওয়ার পাশাপাশি যৌথবাহিনীর অভিযানে তার ছেলেকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। দলের জন্য বহু ত্যাগ স্বীকার করলেও যথাযথ মূল্যায়ন না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দলে নতুন ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ায় তিনি নিজেকে বৈষম্যের শিকার মনে করেছেন। এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই তিনি জামায়াতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জামায়াতে যোগ দেন।

যুবদলের আরেক সাবেক নেতা বাহাউদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন দলের পক্ষে কাজ করলেও তিনি সম্মান পাননি। বর্তমানে বিএনপিতে পুরোনো নেতাদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি জানান, এই কারণেই তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে কোন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা লুৎফর রহমান বলেন, কেরানীগঞ্জে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রেজাউল কবির পলের অনুসারীরা দলের বিভিন্ন কমিটিতে স্থান পাননি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কোন্দল চলমান রয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেননি। এরই ধারাবাহিকতায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের একটি অংশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির ৩ শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

প্রকাশের সময়ঃ ১২:২৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কোন্ডা ইউনিয়নে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে তাদের বরণ করেন ঢাকা-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম।

জামায়াতে যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছেন কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ইসাকুর রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি বাহাউদ্দিন, যুবদলের সাবেক সদস্য আব্দুল খালেক, শ্রমিকদলের নেতা আতাউর রহমান এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা হাজী আনোয়ার হোসেন ফালান।

জামায়াতে যোগদানের বিষয়ে সাবেক যুবদল নেতা ইসাকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবার রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। একাধিক মামলার আসামি হওয়ার পাশাপাশি যৌথবাহিনীর অভিযানে তার ছেলেকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। দলের জন্য বহু ত্যাগ স্বীকার করলেও যথাযথ মূল্যায়ন না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দলে নতুন ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ায় তিনি নিজেকে বৈষম্যের শিকার মনে করেছেন। এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই তিনি জামায়াতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জামায়াতে যোগ দেন।

যুবদলের আরেক সাবেক নেতা বাহাউদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন দলের পক্ষে কাজ করলেও তিনি সম্মান পাননি। বর্তমানে বিএনপিতে পুরোনো নেতাদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি জানান, এই কারণেই তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে কোন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা লুৎফর রহমান বলেন, কেরানীগঞ্জে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রেজাউল কবির পলের অনুসারীরা দলের বিভিন্ন কমিটিতে স্থান পাননি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কোন্দল চলমান রয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেননি। এরই ধারাবাহিকতায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের একটি অংশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।