ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সারাদেশে মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে চার ধরনের যান চলাচল

আজ (১১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য সারাদেশে ৪ ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী বাস চলাচলের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল আছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। আজ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত (৭২ ঘণ্টা) মোটরসাইকেল চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তবে কিছু ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক, জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন—এসব ক্ষেত্রে চলাচলের অনুমতি থাকবে। এছাড়া বিমানবন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে টিকিট বা প্রমাণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যান চলাচল করা যাবে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যান এবং দূরপাল্লার যাত্রীর স্থানীয় যাতায়াতেও শিথিলতা থাকবে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টদের জন্য একটি করে ছোট যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে, তবে সে ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত যানবাহন এবং মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

এছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও তাদের লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের যানবাহন চলাচলেও ছাড় থাকবে। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগর এলাকায় প্রবেশ বা বহির্গমনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে পরিস্থিতি বিবেচনায় অন্যান্য যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারদের প্রদান করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে চার ধরনের যান চলাচল

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। আজ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত (৭২ ঘণ্টা) মোটরসাইকেল চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তবে কিছু ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক, জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন—এসব ক্ষেত্রে চলাচলের অনুমতি থাকবে। এছাড়া বিমানবন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে টিকিট বা প্রমাণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যান চলাচল করা যাবে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যান এবং দূরপাল্লার যাত্রীর স্থানীয় যাতায়াতেও শিথিলতা থাকবে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টদের জন্য একটি করে ছোট যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে, তবে সে ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত যানবাহন এবং মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

এছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও তাদের লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের যানবাহন চলাচলেও ছাড় থাকবে। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগর এলাকায় প্রবেশ বা বহির্গমনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে পরিস্থিতি বিবেচনায় অন্যান্য যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারদের প্রদান করা হয়েছে।