ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষকথা : প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দলীয় প্রভাব বা রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার নয়—রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে আইনের শাসন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

ভাষণের শুরুতে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। জনগণের ভোটে গঠিত নতুন সরকার একটি জবাবদিহিমূলক ও তাঁবেদারমুক্ত রাষ্ট্র পরিচালনার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এ নতুন অধ্যায়ে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ফলেই দেশে অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকল নাগরিকের জন্য সমান নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ প্রেক্ষাপটে—দুর্নীতি ও দুঃশাসনে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি, দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো এবং অবনতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি দমনকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

দেশব্যাপী জুয়া ও মাদকের বিস্তারকে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। সাংবিধানিক ও সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বিধিবদ্ধ নীতি-নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় দলীয় প্রভাব বা জোরজবরদস্তির পরিবর্তে আইনের শাসনই হবে চূড়ান্ত নীতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষকথা : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৪৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দলীয় প্রভাব বা রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার নয়—রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে আইনের শাসন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

ভাষণের শুরুতে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। জনগণের ভোটে গঠিত নতুন সরকার একটি জবাবদিহিমূলক ও তাঁবেদারমুক্ত রাষ্ট্র পরিচালনার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এ নতুন অধ্যায়ে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ফলেই দেশে অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকল নাগরিকের জন্য সমান নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ প্রেক্ষাপটে—দুর্নীতি ও দুঃশাসনে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি, দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো এবং অবনতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি দমনকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

দেশব্যাপী জুয়া ও মাদকের বিস্তারকে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। সাংবিধানিক ও সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বিধিবদ্ধ নীতি-নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় দলীয় প্রভাব বা জোরজবরদস্তির পরিবর্তে আইনের শাসনই হবে চূড়ান্ত নীতি।