ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌরসভার টিম ৪এর অভিযান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হরিপুর এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং জনসচেতনতা বাড়াতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিপুর দেওয়ানপাড়া ও মিয়াপাড়া এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পৌরসভার টিম-০৪-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের কচিকাঁচা শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণ বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

অভিযানে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে কোথাও যাতে দীর্ঘ সময় পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হয়। বাড়িঘরের আঙিনা, গলি, খোলা জায়গা ও আশপাশের পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করেন অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার বার্তা শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে তাদের সম্পৃক্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হলে তা পরিবার ও সমাজেও সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

অভিযান চলাকালে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি শনাক্ত করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট টিমের সদস্যরা এসব পানি অপসারণ করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ওইসব স্থানে যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষ ও স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়।

এ সময় কয়েকটি জলাধারের আশপাশে মশা উড়তে দেখা গেলেও পরিদর্শনে মশার লার্ভার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

দীর্ঘ সময় জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এ কারণে জলাধার, পরিত্যক্ত পাত্র, ফুলের টব ও খোলা জায়গায় পানি জমতে না দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা অপসারণ করাই ছিল অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য। এ সময় বাড়িঘরের আঙিনা, গলি, খোলা জায়গা ও বিভিন্ন স্থাপনার আশপাশ পরিদর্শন করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, বাসাবাড়ির পাশাপাশি নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা, দোকানপাটের আশপাশ এবং বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা গণপূর্ত দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার দেব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার শহর পরিকল্পনাবিদ মো. ইমরান হোসাইন এবং দৈনিক চাঁপাই দর্পণের প্রতিনিধি মো. ইসাহাক আলী।

এ ছাড়া রেড ক্রিসেন্টের সদস্য মোসাঃ তানজিলা খাতুন, মোঃ এ্যানি খাতুন ও মোসাঃ খুসি আরা খাতুনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

পৌরসভার অফিস সহকারী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিল ক্লার্ক মো. সেরাজুল ইসলাম, ইউসুফ, ফয়সাল, মেহেদী, আরাফাত ও আফজালসহ রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসের সদস্যরা পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।

অভিযান চলাকালে স্থানীয়দের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির ব্যানারে ছিল—‘বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার করি, করিব ডেঙ্গু প্রতিকার’—এমন সচেতনতামূলক বার্তা।

স্থানীয়দের বাড়ির ভেতর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ এবং সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিশেষ করে ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, প্লাস্টিকের বোতল, ক্যান, ডাবের খোসা ও অন্যান্য পরিত্যক্ত পাত্রে পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত দেখার আহ্বান জানানো হয়।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, জলাধার এবং আশপাশের খোলা জায়গা পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে পানি জমতে না পারে, সে ব্যবস্থাও নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পৌরসভার মাঠপর্যায়ের অভিযানের সঙ্গে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকলে সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল দ্রুত শনাক্ত ও অপসারণ করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে একদিকে যেমন জমে থাকা পানি অপসারণ করা হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয়দের ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে।

বিশেষ করে বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশে পানি জমতে না দেওয়া, জলাধার পরিষ্কার রাখা এবং পরিত্যক্ত পাত্র সরিয়ে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌরসভার টিম ৪এর অভিযান

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং জনসচেতনতা বাড়াতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিপুর দেওয়ানপাড়া ও মিয়াপাড়া এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পৌরসভার টিম-০৪-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের কচিকাঁচা শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণ বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

অভিযানে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে কোথাও যাতে দীর্ঘ সময় পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হয়। বাড়িঘরের আঙিনা, গলি, খোলা জায়গা ও আশপাশের পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করেন অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার বার্তা শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে তাদের সম্পৃক্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হলে তা পরিবার ও সমাজেও সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

অভিযান চলাকালে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি শনাক্ত করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট টিমের সদস্যরা এসব পানি অপসারণ করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ওইসব স্থানে যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষ ও স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়।

এ সময় কয়েকটি জলাধারের আশপাশে মশা উড়তে দেখা গেলেও পরিদর্শনে মশার লার্ভার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

দীর্ঘ সময় জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এ কারণে জলাধার, পরিত্যক্ত পাত্র, ফুলের টব ও খোলা জায়গায় পানি জমতে না দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা অপসারণ করাই ছিল অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য। এ সময় বাড়িঘরের আঙিনা, গলি, খোলা জায়গা ও বিভিন্ন স্থাপনার আশপাশ পরিদর্শন করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, বাসাবাড়ির পাশাপাশি নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা, দোকানপাটের আশপাশ এবং বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা গণপূর্ত দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার দেব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার শহর পরিকল্পনাবিদ মো. ইমরান হোসাইন এবং দৈনিক চাঁপাই দর্পণের প্রতিনিধি মো. ইসাহাক আলী।

এ ছাড়া রেড ক্রিসেন্টের সদস্য মোসাঃ তানজিলা খাতুন, মোঃ এ্যানি খাতুন ও মোসাঃ খুসি আরা খাতুনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

পৌরসভার অফিস সহকারী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিল ক্লার্ক মো. সেরাজুল ইসলাম, ইউসুফ, ফয়সাল, মেহেদী, আরাফাত ও আফজালসহ রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসের সদস্যরা পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।

অভিযান চলাকালে স্থানীয়দের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির ব্যানারে ছিল—‘বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার করি, করিব ডেঙ্গু প্রতিকার’—এমন সচেতনতামূলক বার্তা।

স্থানীয়দের বাড়ির ভেতর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ এবং সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিশেষ করে ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, প্লাস্টিকের বোতল, ক্যান, ডাবের খোসা ও অন্যান্য পরিত্যক্ত পাত্রে পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত দেখার আহ্বান জানানো হয়।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, জলাধার এবং আশপাশের খোলা জায়গা পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে পানি জমতে না পারে, সে ব্যবস্থাও নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পৌরসভার মাঠপর্যায়ের অভিযানের সঙ্গে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকলে সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল দ্রুত শনাক্ত ও অপসারণ করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে একদিকে যেমন জমে থাকা পানি অপসারণ করা হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয়দের ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে।

বিশেষ করে বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশে পানি জমতে না দেওয়া, জলাধার পরিষ্কার রাখা এবং পরিত্যক্ত পাত্র সরিয়ে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।