ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি

সংগৃহীত ছবি।

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন। শুক্রবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংগঠনের সদস্য সচিব ও আলোচিত নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংগঠনটির আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিল এবং সদস্য সচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে পাঠানো চিঠিটি সেখানে পাঠ করেন তনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সময়ে মন্তব্য করেছেন—কোনো নারী দলীয় প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে পারবেন না। তার দাবি, এ ধরনের অবস্থান দলটির ঘোষিত নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তনির ভাষ্য অনুযায়ী, এ অবস্থান সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী লিঙ্গ সমতার পরিপন্থী অবস্থান নিলে কোনো রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীর অংশগ্রহণের অধিকার খর্ব করা অসাংবিধানিক। নারীর সাংবিধানিক অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বক্তব্য ও নীতির বিষয়ে আইনি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের জন্য আইনগত পদক্ষেপ ও প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার দাবিও উত্থাপন করা হয়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি

প্রকাশের সময়ঃ ০১:২১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন। শুক্রবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংগঠনের সদস্য সচিব ও আলোচিত নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংগঠনটির আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিল এবং সদস্য সচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে পাঠানো চিঠিটি সেখানে পাঠ করেন তনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সময়ে মন্তব্য করেছেন—কোনো নারী দলীয় প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে পারবেন না। তার দাবি, এ ধরনের অবস্থান দলটির ঘোষিত নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তনির ভাষ্য অনুযায়ী, এ অবস্থান সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী লিঙ্গ সমতার পরিপন্থী অবস্থান নিলে কোনো রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীর অংশগ্রহণের অধিকার খর্ব করা অসাংবিধানিক। নারীর সাংবিধানিক অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বক্তব্য ও নীতির বিষয়ে আইনি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের জন্য আইনগত পদক্ষেপ ও প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার দাবিও উত্থাপন করা হয়।