ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

“শিক্ষামন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চালুর পথ খুঁজতে নির্দেশ”

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি ও মূল্যায়ন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে কেজি স্কুল মালিকরা নিজেদের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করেছেন, যেখানে সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ সম্ভব হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক, অভিভাবক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দুষছেন অভিভাবকরা। তারা অভিযোগ করছেন, কেজি স্কুল মালিকরা দামী আইনজীবী নিয়োগ করে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে রায় নিজেদের পক্ষে নিয়ে গেছেন। অপরদিকে সরকারের আইনজীবীরা পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় রায় বিপক্ষে গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষার সদ্য বিদায়ী উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, “প্রাথমিক বৃত্তি ও মেধা যাচাইয়ের মূল্যায়ন বিষয়ে আদালতের মামলা এবং স্থগিতাদেশ শিক্ষাকে বিঘ্নিত করছে। আমরা নিজস্ব মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার মান যাচাই করছিলাম, কিন্তু সেটাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।”

নব নিযুক্ত শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রথম ধাপে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক এবং কেজি স্কুল শিক্ষকদের মতামত সংগ্রহের মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষা কার্যকর করার সম্ভাব্য পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া পূর্ববর্তী বছরের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলও পর্যালোচনা করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রীর লক্ষ্য সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রহণযোগ্য এবং ন্যায্য একটি বৃত্তি ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা তৈরি করা।

ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার আরও বলেন, “উপযুক্ত মূল্যায়ন হলে শিক্ষার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হয় এবং ভালো ফলাফল দেখানো শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা যায়। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি ছাড়া দেশের সার্বিক অগ্রগতি অসম্ভব।”

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

“শিক্ষামন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চালুর পথ খুঁজতে নির্দেশ”

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি ও মূল্যায়ন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে কেজি স্কুল মালিকরা নিজেদের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করেছেন, যেখানে সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ সম্ভব হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক, অভিভাবক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দুষছেন অভিভাবকরা। তারা অভিযোগ করছেন, কেজি স্কুল মালিকরা দামী আইনজীবী নিয়োগ করে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে রায় নিজেদের পক্ষে নিয়ে গেছেন। অপরদিকে সরকারের আইনজীবীরা পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় রায় বিপক্ষে গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষার সদ্য বিদায়ী উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, “প্রাথমিক বৃত্তি ও মেধা যাচাইয়ের মূল্যায়ন বিষয়ে আদালতের মামলা এবং স্থগিতাদেশ শিক্ষাকে বিঘ্নিত করছে। আমরা নিজস্ব মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার মান যাচাই করছিলাম, কিন্তু সেটাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।”

নব নিযুক্ত শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রথম ধাপে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক এবং কেজি স্কুল শিক্ষকদের মতামত সংগ্রহের মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষা কার্যকর করার সম্ভাব্য পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া পূর্ববর্তী বছরের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলও পর্যালোচনা করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রীর লক্ষ্য সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রহণযোগ্য এবং ন্যায্য একটি বৃত্তি ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা তৈরি করা।

ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার আরও বলেন, “উপযুক্ত মূল্যায়ন হলে শিক্ষার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হয় এবং ভালো ফলাফল দেখানো শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা যায়। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি ছাড়া দেশের সার্বিক অগ্রগতি অসম্ভব।”