ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে এনটিআরসিএতে ৮১ হাজার আবেদন

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রায় ৮১ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে অনলাইনে আবেদন ও ফি পরিশোধের সময়সীমা এক দফা বাড়ানো হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রার্থীরা ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ফি জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। এর আগে আবেদনের শেষ সময় ছিল ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট এবং ফি পরিশোধের শেষ সময় ছিল ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।

এদিকে আবেদন প্রক্রিয়ায় সীমিত পরিসরে ‘এডিট’ বা তথ্য সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এই সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। যারা নির্দিষ্টভাবে ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করেছেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন।

পরীক্ষা সূচি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে লিখিত পরীক্ষা আগামী ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শেষে এক সপ্তাহের মধ্যে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। ফল প্রকাশের পরপরই মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং চূড়ান্ত ফলাফল আগস্ট মাসে প্রকাশ করা হতে পারে।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। প্রার্থীদের http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এনটিআরসিএর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ntrca.gov.bd এবং উল্লিখিত টেলিটক সাইটে।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের বিপরীতে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে শূন্যপদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।

বিভাগভিত্তিক শূন্যপদের হিসাবে দেখা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে ১০ হাজার ২৭৮টি পদ। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ১৯০টি এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে ৩ হাজার ১৩১টি শূন্যপদ। সব মিলিয়ে মোট শূন্যপদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫৫৯টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় স্নাতক কলেজে অধ্যক্ষের পদ ৫৮৪টি এবং উপাধ্যক্ষের পদ ৬২৭টি। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ ৫১১টি এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ ২৫৭টি শূন্যপদ রয়েছে। এছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৯২৩টি ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৮৭২টি পদ খালি রয়েছে। নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে ৫০৪টি।

বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রার্থীদের আগ্রহ ও প্রতিযোগিতা দুটোই বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে এনটিআরসিএতে ৮১ হাজার আবেদন

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রায় ৮১ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে অনলাইনে আবেদন ও ফি পরিশোধের সময়সীমা এক দফা বাড়ানো হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রার্থীরা ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ফি জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। এর আগে আবেদনের শেষ সময় ছিল ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট এবং ফি পরিশোধের শেষ সময় ছিল ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।

এদিকে আবেদন প্রক্রিয়ায় সীমিত পরিসরে ‘এডিট’ বা তথ্য সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এই সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। যারা নির্দিষ্টভাবে ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করেছেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন।

পরীক্ষা সূচি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে লিখিত পরীক্ষা আগামী ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শেষে এক সপ্তাহের মধ্যে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। ফল প্রকাশের পরপরই মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং চূড়ান্ত ফলাফল আগস্ট মাসে প্রকাশ করা হতে পারে।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। প্রার্থীদের http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এনটিআরসিএর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ntrca.gov.bd এবং উল্লিখিত টেলিটক সাইটে।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের বিপরীতে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে শূন্যপদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।

বিভাগভিত্তিক শূন্যপদের হিসাবে দেখা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে ১০ হাজার ২৭৮টি পদ। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ১৯০টি এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে ৩ হাজার ১৩১টি শূন্যপদ। সব মিলিয়ে মোট শূন্যপদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫৫৯টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় স্নাতক কলেজে অধ্যক্ষের পদ ৫৮৪টি এবং উপাধ্যক্ষের পদ ৬২৭টি। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ ৫১১টি এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ ২৫৭টি শূন্যপদ রয়েছে। এছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৯২৩টি ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৮৭২টি পদ খালি রয়েছে। নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে ৫০৪টি।

বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রার্থীদের আগ্রহ ও প্রতিযোগিতা দুটোই বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।