ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সরকারি কর্মকর্তা দুর্নীতি করলে চাকরি যাওয়ার পাশাপাশি মামলাও হবে: আইনমন্ত্রী

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের অফিসে তিনি এ কথা বলেন।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: কোনো সরকারি কর্মকর্তা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হলে শুধু চাকরি হারিয়েই পার পাবেন না, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও করা হবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “শুধু চাকরি চলে যাবে না, দুর্নীতির মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠানো হবে। আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি,”—বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের এক পয়সারও অনিয়ম সহ্য করা হবে না। কেউ কমিশন বাণিজ্যে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উন্নয়নমূলক কাজের মানের বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, সড়কসহ অবকাঠামো নির্মাণে নিম্নমানের কাজ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। কমিশন বাণিজ্য বা চাঁদাবাজির অভিযোগ থাকলে সরাসরি তাকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলে সরকার ও বিরোধীদল একসঙ্গে কাজ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ একটি নির্বাচন ও সরকার পেয়েছে। শহীদদের অমর্যাদা হয় বা তাদের আত্মা কষ্ট পায়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড সরকার বরদাশত করবে না। আহত ও আত্মোৎসর্গকারীদের সম্মান রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর।

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট ও ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িতদের আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হওয়ার সুযোগ নেই। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত ব্যক্তি এবং যারা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক সেল্টার দেওয়া হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি কর্মকর্তা দুর্নীতি করলে চাকরি যাওয়ার পাশাপাশি মামলাও হবে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৩৭:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: কোনো সরকারি কর্মকর্তা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হলে শুধু চাকরি হারিয়েই পার পাবেন না, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও করা হবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “শুধু চাকরি চলে যাবে না, দুর্নীতির মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠানো হবে। আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি,”—বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের এক পয়সারও অনিয়ম সহ্য করা হবে না। কেউ কমিশন বাণিজ্যে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উন্নয়নমূলক কাজের মানের বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, সড়কসহ অবকাঠামো নির্মাণে নিম্নমানের কাজ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। কমিশন বাণিজ্য বা চাঁদাবাজির অভিযোগ থাকলে সরাসরি তাকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলে সরকার ও বিরোধীদল একসঙ্গে কাজ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ একটি নির্বাচন ও সরকার পেয়েছে। শহীদদের অমর্যাদা হয় বা তাদের আত্মা কষ্ট পায়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড সরকার বরদাশত করবে না। আহত ও আত্মোৎসর্গকারীদের সম্মান রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর।

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট ও ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িতদের আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হওয়ার সুযোগ নেই। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত ব্যক্তি এবং যারা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক সেল্টার দেওয়া হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানান।