ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর পরীবাগের একটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি সবাইকে অযথা উদ্বিগ্ন হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুত না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর পরীবাগ এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং পর্যাপ্ত মজুতও আছে। তাই গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল কিনতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুতের চেষ্টা করলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মজুত স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

এদিকে জ্বালানি তেল নিয়ে কিছু এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে তেল সরবরাহে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছে।

বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য দৈনিক ১০ লিটার তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি) বা জিপ এবং মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে। পিকআপ ভ্যান বা লোকাল বাসের জন্য দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেলের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও কনটেইনার ট্রাক প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত তেল নিতে পারবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৪৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি সবাইকে অযথা উদ্বিগ্ন হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুত না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর পরীবাগ এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং পর্যাপ্ত মজুতও আছে। তাই গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল কিনতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুতের চেষ্টা করলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মজুত স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

এদিকে জ্বালানি তেল নিয়ে কিছু এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে তেল সরবরাহে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছে।

বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য দৈনিক ১০ লিটার তেল নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি) বা জিপ এবং মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে। পিকআপ ভ্যান বা লোকাল বাসের জন্য দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেলের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও কনটেইনার ট্রাক প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত তেল নিতে পারবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।