ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

ভারতের বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল

সংগৃহীত ছবি।

 ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। এ সময় তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকেও আটক করা হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৭ মার্চ) রাত ও রোববার (৮ মার্চ) ভোরের মধ্যবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এসটিএফ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, বাংলাদেশে সংঘটিত চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় আত্মগোপন করে আছেন। তারা সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।

এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁ এলাকায় অবস্থানরত দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাদের একজন রাহুল ছদ্মনামে পরিচিত ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), যিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা। অপরজন আলমগীর হোসেন (৩৪), যার বাড়ি ঢাকায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। ঘটনার পর তারা পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

পুলিশ জানায়, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক দুজনকে ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে, তাদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় বাংলাদেশে আলোচিত ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ভারতের বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল

প্রকাশের সময়ঃ ০১:২৮:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

 ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। এ সময় তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকেও আটক করা হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৭ মার্চ) রাত ও রোববার (৮ মার্চ) ভোরের মধ্যবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এসটিএফ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, বাংলাদেশে সংঘটিত চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় আত্মগোপন করে আছেন। তারা সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।

এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁ এলাকায় অবস্থানরত দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাদের একজন রাহুল ছদ্মনামে পরিচিত ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), যিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা। অপরজন আলমগীর হোসেন (৩৪), যার বাড়ি ঢাকায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। ঘটনার পর তারা পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

পুলিশ জানায়, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক দুজনকে ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে, তাদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় বাংলাদেশে আলোচিত ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।