
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ থাকা বিতার্কিক আহনাফ রাইয়ান ও তার ৮ বছর বয়সী ভাগ্নে তাসবীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে তাসবীরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে আহনাফ রাইয়ানের মরদেহ পাওয়া যায়। স্বজনরা তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেন।
এর আগে একই ঘটনায় রাইয়ানের মা রেহেনা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, আহনাফ রাইয়ান রাজবাড়ী শহরের ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি রাজবাড়ী ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদের ছুটি শেষে রাইয়ান তার মা রেহেনা আক্তার, বড় বোন ডা. নুসরাত জাহান সাবা এবং ভাগ্নে তাসবীরকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার সময় ডা. নুসরাত জাহান সাবা সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও বাকি তিনজনের প্রাণহানি ঘটে।
ঘটনার পর রাতেই ডা. নুসরাত জাহান সাবা হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরেন। এদিকে খবর পেয়ে ঢাকায় অবস্থানরত আরেক স্বজন লোপা দ্রুত বাড়িতে ছুটে আসেন। মা, ভাই ও সন্তানকে হারিয়ে তিনি গভীর শোকে ভেঙে পড়েন।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় তাদের বাড়ির সামনে নিহত তিনজনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে শোকাবহ পরিবেশে দাফন সম্পন্ন হয়।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 



















