ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় তোলপাড়

রাজশাহীতে আ.লীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ

ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ খান। সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর করে ড্রেনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে নগরীর শাহমখদুম থানা সংলগ্ন পবা নতুনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ফিরোজ খান, যিনি শাহমখদুম থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হামলা চালানো হয়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচিতজনদের মাধ্যমে চা খাওয়ার কথা বলে তাকে ডাকা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মোটরসাইকেল থেকে নামতেই কয়েকজন ব্যক্তি কাঠের লাঠি দিয়ে তাকে মারধর শুরু করে এবং একপর্যায়ে ড্রেনে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

ফিরোজ খানের দাবি, হামলায় তার বাম হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বর্তমানে এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার পর তার ব্যবহৃত ১১০ সিসি মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

একজন অভিযুক্ত নেতা বলেন, ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অন্যদিকে আরেকজনের দাবি, মোটরসাইকেল নেওয়ার অভিযোগও সঠিক নয় এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হচ্ছে।

শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি এবং কোনো মোটরসাইকেল জব্দের তথ্যও নেই। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না হওয়ায় ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় তোলপাড়

রাজশাহীতে আ.লীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর করে ড্রেনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে নগরীর শাহমখদুম থানা সংলগ্ন পবা নতুনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ফিরোজ খান, যিনি শাহমখদুম থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হামলা চালানো হয়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচিতজনদের মাধ্যমে চা খাওয়ার কথা বলে তাকে ডাকা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মোটরসাইকেল থেকে নামতেই কয়েকজন ব্যক্তি কাঠের লাঠি দিয়ে তাকে মারধর শুরু করে এবং একপর্যায়ে ড্রেনে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

ফিরোজ খানের দাবি, হামলায় তার বাম হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বর্তমানে এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার পর তার ব্যবহৃত ১১০ সিসি মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

একজন অভিযুক্ত নেতা বলেন, ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অন্যদিকে আরেকজনের দাবি, মোটরসাইকেল নেওয়ার অভিযোগও সঠিক নয় এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হচ্ছে।

শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি এবং কোনো মোটরসাইকেল জব্দের তথ্যও নেই। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না হওয়ায় ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়নি।